Javed IT Solution diagnoses and fixes sudden Google ranking and traffic drops for businesses in Bangladesh — after core updates, redesigns, migrations, hacks or bad SEO work. Diagnosis is part of the free SEO audit; recovery work runs in the Professional package at ৳15,000 (BDT) per month; hacked-site clean-up starts from ৳8,000. Based in Mirpur-1, Dhaka, Bangladesh. Call +880 1616-901396 or message on WhatsApp for a free quote.
Search Console দিয়ে শুরু, পতনের তারিখ ধরে কারণ খোঁজা — core update, রিডিজাইন, হ্যাক, noindex, পুরনো স্প্যাম লিংক, নাকি শুধু ট্র্যাকিং ভাঙা — তারপর ঠিক সেই কারণের ফিক্স, সময়ের ব্যাপারে সৎ হিসাবসহ।
সাধারণত এভাবেই টের পান: WhatsApp-এ জিজ্ঞাসা কমে গেছে, Analytics-এর গ্রাফ হঠাৎ খাড়া নিচে, বা নিজের সার্ভিসের নাম লিখে সার্চ করলে প্রথম পেজে আপনার ওয়েবসাইট আর নেই। কেউ বলে ‘গুগল আপডেট হয়েছে’, কেউ বলে ‘পেনাল্টি খেয়েছেন’, কেউ বলে আরও ব্যাকলিংক কিনুন। কারণ না জেনে ওষুধ দিলে সমস্যা প্রায়ই আরও বাড়ে — আর ভুল কাজে আরও কয়েক মাস চলে যায়।
র্যাংক পড়ার কারণ অন্তত আট রকম, আর প্রতিটার লক্ষণ আলাদা। রিডিজাইনের সময় পুরনো URL বদলে গেছে কিন্তু ৩০১ রিডাইরেক্ট বসেনি; ডেভেলপার টেস্ট সাইটের noindex লাইভেও রেখে দিয়েছে; পুরনো WordPress-এ জাপানি লেখা বা ওষুধের হাজার হাজার স্প্যাম পেজ ঢুকে গেছে, যা আপনি নিজে ব্রাউজারে দেখেনই না — গুগল দেখে। আগের সস্তা SEO-র কেনা লিংকের জন্য Search Console-এ manual action আসতে পারে, আর core update-এ পাতলা, কপি করা পেজের দাম কমে যায়।
আর কখনো কখনো আসলে কিছুই পড়েনি — থিম বদলের সময় Analytics-এর ট্র্যাকিং কোড মুছে গেছে, বা GA4-এ ভুল ফিল্টার বসেছে, তাই গ্রাফ শূন্য দেখাচ্ছে। আবার সত্যিকারের পতনের পেছনে আপনার কোনো ভুল নাও থাকতে পারে: প্রতিযোগী আরও ভালো পেজ বানিয়েছে, তাই গুগল তাকে উপরে তুলেছে। প্রতিটা কারণের সমাধান আলাদা, তাই প্রথম কাজ একটাই — ঠিক কারণটা ধরা।
আমরা শুরু করি Google Search Console দিয়ে, কারণ গুগল নিজে যা জানায় তা সেখানেই থাকে: Manual actions, Security issues আর Page indexing রিপোর্ট। তারপর পতনের দিনটা বের করি — Search Console-এর ক্লিক গ্রাফ আর Analytics মিলিয়ে — এবং দেখি সেই সময় Google Search Status Dashboard-এ কোনো core বা spam update চলছিল কি না, নাকি সেই সপ্তাহেই আপনার সাইটে রিডিজাইন, হোস্টিং বদল, নতুন প্লাগইন বা URL পরিবর্তন হয়েছিল।
কারণ পাওয়ার পর ঠিক সেই কারণের ফিক্স। হ্যাক হলে স্প্যাম পেজ, ব্যাকডোর আর ভুয়া অ্যাডমিন সরিয়ে সাইট ক্লিন, তারপর Search Console-এ রিভিউ চাওয়া; রিডিজাইন বা মাইগ্রেশনে পুরনো প্রতিটা URL থেকে নতুনটায় ৩০১ রিডাইরেক্ট ম্যাপ; noindex, robots.txt বা canonical-এর ভুল সরানো; manual action থাকলে আসল সমস্যা ঠিক করে প্রমাণসহ reconsideration request; আর disavow ফাইল শুধু স্পষ্ট স্প্যাম লিংকের জন্য — ভালো লিংক কখনো নয়।
সময় নিয়ে সৎ কথা: noindex বা রিডাইরেক্টের ভুল ঠিক হলে সাধারণত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ফেরা শুরু হয়; manual action-এর রিভিউতে গুগল কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ নেয়; কিন্তু core update-এ পড়া সাইট অনেক সময় পরের core update পর্যন্ত অপেক্ষা করে — মানে কয়েক মাস। আমরা কোনো তারিখ বা পজিশনের প্রতিশ্রুতি দিই না। প্রতি মাসের রিপোর্টে দেখাই কী ঠিক হলো আর গ্রাফ কোন দিকে যাচ্ছে, আর রিকভারির পরেও মাসিক মনিটরিং রাখা যায়, যাতে পরের পতন প্রথম সপ্তাহেই ধরা পড়ে।
র্যাংক কেন পড়েছে, সেটা না জেনে কোনো ফিক্স কেনার মানে নেই।
Manual actions, Security issues, Page indexing; পতনের তারিখ বনাম গুগল আপডেট ও সাইটের পরিবর্তন।
জাপানি কীওয়ার্ড বা ওষুধের স্প্যাম পেজ, ব্যাকডোর, ভুয়া অ্যাডমিন সরানো; তারপর Security issues রিভিউ।
পুরনো প্রতিটা URL থেকে নতুনটায় ৩০১, ভাঙা লিংক ঠিক, নতুন sitemap, ডোমেইন বদলে Change of Address।
টেস্ট সাইটের noindex, ব্লক করা ফোল্ডার, ভুল canonical, পুরনো sitemap — যা রাতারাতি সাইট গায়েব করে।
আগের কেনা লিংক বাছাই, সরানোর অনুরোধ, শুধু স্পষ্ট স্প্যামে disavow, প্রমাণসহ reconsideration request।
পাতলা, কপি বা AI দিয়ে ঘুরিয়ে লেখা পেজ মার্জ, নতুন করে লেখা বা সরানো; আসল তথ্য ও অভিজ্ঞতা যোগ।
বাংলাদেশে র্যাংক পড়লে মানুষ সাধারণত এই তিনটার একটা করে। কোনটায় কী হয়, পাশাপাশি দেখুন।
| বিষয় | অপেক্ষা করে দেখা | ‘দ্রুত পেনাল্টি রিমুভাল’ বিক্রেতা | Javed IT Solution |
|---|---|---|---|
| আসল কারণ খোঁজা | খোঁজা হয় না — ধরে নেওয়া হয় গুগল আপডেট | সব ক্ষেত্রে একই প্যাকেজ, কারণ যা-ই হোক | Search Console, পতনের তারিখ আর সাইটের পরিবর্তন মিলিয়ে |
| হ্যাক ক্লিনআপ | স্প্যাম পেজ বাড়তেই থাকে | পেজ মুছে দেয়, ব্যাকডোর থেকে যায় — আবার হ্যাক | স্প্যাম, ব্যাকডোর ও ভুয়া অ্যাডমিন সরিয়ে Security issues রিভিউ |
| রিডাইরেক্ট | পুরনো URL ৪০৪ দিতেই থাকে | সব পুরনো URL হোমপেজে পাঠিয়ে দেয় | পুরনো প্রতিটা URL থেকে মিল থাকা নতুন পেজে ৩০১ |
| কন্টেন্ট | যেমন ছিল তেমনই | আরও স্পিন করা পেজ যোগ | পাতলা ও কপি পেজ মার্জ, নতুন করে লেখা বা সরানো |
| লিংক | পুরনো স্প্যাম লিংক থেকেই যায় | সব লিংক disavow, বা নতুন কেনা লিংক | লিংক অডিট; disavow শুধু স্পষ্ট স্প্যামে |
| সময় নিয়ে সততা | অনির্দিষ্ট — মাসের পর মাস হারানো ক্রেতা | ‘এক সপ্তাহে পেনাল্টি তুলে দেব’ | কারণ অনুযায়ী লিখিত সময়; core update হলে কয়েক মাস — সরাসরি বলা |
| খরচ | টাকা লাগে না — কিন্তু প্রতিদিন হারানো অর্ডার | কম দাম, প্রায়ই অগ্রিম — ক্ষতি সারাতে পরে বেশি | ডায়াগনসিস ফ্রি; রিকভারি ৳১৫,০০০/মাস; হ্যাক ক্লিনআপ ৳৮,০০০ থেকে |
সৎ কথা: ডায়াগনসিসে যদি দেখা যায় সমস্যা শুধু ট্র্যাকিং কোড ভাঙা, বা পতনটা গুগলের সাধারণ ওঠানামার মধ্যে, তাহলে আমরা সেটাই লিখে দিই — মাসিক প্যাকেজ নেওয়ার দরকার নেই। আর একটা noindex-এর ভুল আপনার নিজের ডেভেলপারই এক দিনে ঠিক করতে পারেন।
লক্ষণ মিলিয়ে কারণ আন্দাজ করা যায়, তবে নিশ্চিত হতে Search Console আর পতনের তারিখ দুটোই লাগে।
| কারণ | লক্ষণ | ফিক্স | সাধারণত কত সময় |
|---|---|---|---|
| গুগলের core update | আপডেট চলার দিনগুলোতে ধীরে ধীরে অনেক পেজের পজিশন নামে | কন্টেন্টের মান, আসল তথ্য ও অভিজ্ঞতা বাড়ানো; দুর্বল পেজ মার্জ বা সরানো | কয়েক মাস — অনেক সময় পরের core update পর্যন্ত |
| Manual action | Search Console-এর Manual actions-এ নোটিশ; এক দিনে বড় পতন | নোটিশে বলা সমস্যা ঠিক করা, তারপর প্রমাণসহ reconsideration request | ফিক্সের পর গুগলের রিভিউতে কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ |
| হ্যাক — জাপানি বা ওষুধের কীওয়ার্ড | site: সার্চে অচেনা ভাষার পেজ; Security issues-এ সতর্কতা | ক্লিনআপ, ব্যাকডোর বন্ধ, স্প্যাম URL সরানো, তারপর রিভিউ রিকোয়েস্ট | ক্লিনআপ সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টা; স্প্যাম পেজ গুগল থেকে মুছতে কয়েক সপ্তাহ |
| রিডিজাইন বা মাইগ্রেশন | লঞ্চের দিন থেকে পতন; পুরনো URL ৪০৪ | পুরনো URL থেকে নতুনটায় ৩০১ ম্যাপ, ইন্টারনাল লিংক ও sitemap আপডেট | সাধারণত কয়েক সপ্তাহ, বড় সাইটে আরও বেশি |
| noindex বা robots.txt-এর ভুল | পেজ একের পর এক গুগল থেকে গায়েব; Page indexing-এ ‘Excluded by noindex’ | ট্যাগ বা ব্লক সরানো, তারপর গুরুত্বপূর্ণ পেজে Request indexing | কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ |
| স্প্যাম বা মেয়াদোত্তীর্ণ লিংক | পুরনো কেনা লিংকের সাইট বন্ধ বা গুগল সেগুলো গোনা বন্ধ করেছে | লিংক অডিট; স্পষ্ট স্প্যামে disavow; আসল লিংক অর্জনের কাজ | কয়েক মাস — নতুন ভালো লিংক আসতে সময় লাগে |
| কন্টেন্টের মান | পাতলা, কপি বা একই রকম অনেক পেজ; কিছু পেজ ইনডেক্সই হয় না | একই বিষয়ের পেজ মার্জ, দুর্বল পেজ নতুন করে লেখা বা সরানো | কয়েক মাস |
| ট্র্যাকিং ভাঙা | Analytics-এ শূন্য, কিন্তু Search Console-এর ক্লিক স্বাভাবিক | GA4 ট্যাগ আবার বসানো, ফিল্টার ও কনভার্শন ঠিক করা | একই দিনে — আসলে কিছুই পড়েনি |
প্রতিযোগী ভালো করেছে বলে পড়লে সেটা কোনো ‘ভুল’ নয় — তখন কাজটা সাধারণ SEO-র: ওই পেজের চেয়ে ভালো উত্তর, দ্রুত সাইট আর আসল লিংক।
| কখন | কী দেখবেন বা করবেন | কেন |
|---|---|---|
| প্রথম ঘণ্টা | Search Console-এ Manual actions আর Security issues খুলে দেখুন | গুগল নিজে কোনো শাস্তি বা হ্যাক ধরলে এখানেই লেখা থাকে |
| প্রথম দিন | Search Console-এর ক্লিক আর Analytics-এর ভিজিট মিলিয়ে দেখুন | শুধু Analytics পড়লে সম্ভবত ট্র্যাকিং ভাঙা, র্যাংক নয় |
| প্রথম দিন | গুগলে site:আপনারডোমেইন লিখে সার্চ করুন | অচেনা ভাষা বা ক্যাসিনো-ওষুধের পেজ দেখালে সাইট হ্যাক হয়েছে |
| প্রথম দিন | সাম্প্রতিক পরিবর্তনের তালিকা: থিম, প্লাগইন, হোস্টিং, URL, ডোমেইন | পতনের তারিখের সাথে মিললে কারণ প্রায় সেখানেই |
| দ্বিতীয় দিন | robots.txt আর মূল পেজের সোর্সে noindex আছে কি না দেখুন | রিডিজাইনের পর এটাই সবচেয়ে সাধারণ ও সবচেয়ে সহজ ফিক্স |
| দ্বিতীয় দিন | Google Search Status Dashboard-এ ওই সময়ের আপডেট মিলিয়ে নিন | core update চললে তাড়াহুড়োর কাজ ক্ষতি করতে পারে |
| যা করবেন না | নতুন লিংক কেনা, ভয়ে সব পেজ মুছে ফেলা, বা আবার রিডিজাইন শুরু করা | কারণ না জেনে এসব করলে সমস্যা আরও জটিল হয় |
এই তালিকা নিজে চালাতে পারেন। Search Console-এ আমাদের ‘restricted’ অ্যাক্সেস দিলে ফ্রি অডিটে পুরো ডায়াগনসিস আমরাই করে লিখিত রিপোর্ট দিই।
ডায়াগনসিস প্রথম ফ্রি SEO অডিটের অংশ। হ্যাক ক্লিনআপ, সিকিউরিটি অডিট ও মাসিক প্রোটেকশনের পুরো দামের তালিকা ওয়েবসাইট সিকিউরিটি পেজে। রিকভারির পর শুধু মনিটরিং আর মাসিক রিপোর্ট চাইলে বেসিক ৳৮,০০০/মাস; বড় ই-কমার্স বা অনেক পেজের সাইটে এন্টারপ্রাইজ ৳৩০,০০০+/মাস। পেমেন্ট bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংক ট্রান্সফার।
Javed IT Solution-এ কারণ খোঁজার ডায়াগনসিস প্রথম ফ্রি SEO অডিটের অংশ। রিকভারির কাজ — রিডাইরেক্ট, ইনডেক্সিং, কন্টেন্ট ও লিংক — প্রফেশনাল প্যাকেজে ৳১৫,০০০/মাস। সাইট হ্যাক হলে ক্লিনআপ ওয়েবসাইট সিকিউরিটি সার্ভিসে, ৳৮,০০০ থেকে, স্ক্যানের পর নির্দিষ্ট দাম। ‘পেনাল্টি রিমুভাল ফি’ বলে আলাদা কিছু নেই — কাজটা নির্ভর করে কারণের ওপর।
প্রথমে Search Console-এ Manual actions আর Security issues। তারপর Search Console-এর ক্লিক আর Analytics মিলিয়ে দেখুন — শুধু Analytics শূন্য হলে সম্ভবত ট্র্যাকিং কোড মুছে গেছে। এরপর গুগলে site:আপনারডোমেইন সার্চ করে অচেনা পেজ আছে কি না, আর গত কয়েক সপ্তাহে থিম, প্লাগইন, হোস্টিং বা URL বদলেছে কি না। ওপরের ‘প্রথম ৪৮ ঘণ্টা’ টেবিলে পুরো তালিকা আছে।
সত্যিকারের পেনাল্টি — যাকে গুগল manual action বলে — থাকলে Search Console-এর Manual actions রিপোর্টে লেখা থাকে, সাথে কারণও। সেখানে কিছু না থাকলে এটা পেনাল্টি নয়; তখন পতন সাধারণত core update, সাইটের কোনো টেকনিক্যাল ভুল, হ্যাক বা প্রতিযোগীর উন্নতির কারণে। কেউ Search Console না দেখেই ‘পেনাল্টি’ বললে সেটা অনুমান।
নোটিশে যে সমস্যার কথা বলা আছে — কেনা লিংক, স্প্যাম কন্টেন্ট, হ্যাক — সেটা আগে সত্যিই ঠিক করতে হয়। লিংকের ক্ষেত্রে প্রথমে সরানোর অনুরোধ, তারপর শুধু স্পষ্ট স্প্যাম লিংক disavow। এরপর Search Console-এ reconsideration request: কী ভুল ছিল, কী করা হয়েছে, প্রমাণসহ। গুগলের রিভিউতে সাধারণত কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগে; প্রথমবার বাতিল হলে আরও কাজ করে আবার জমা দিতে হয়।
সৎ উত্তর: নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারে না। core update কোনো শাস্তি নয় — গুগল নতুন করে মাপে কোন পেজ প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো উত্তর দেয়। কন্টেন্ট সত্যিই ভালো করলে কিছু উন্নতি আগেও আসতে পারে, কিন্তু বড় ফেরা অনেক সময় পরের core update-এ দেখা যায়, যা কয়েক মাস পরে আসে। তাই আমরা কোনো তারিখের প্রতিশ্রুতি দিই না, আর এই সময়ে নতুন লিংক কেনার মতো শর্টকাট নিতে নিষেধ করি।
দুটোই। এটা জাপানি কীওয়ার্ড হ্যাক — পুরনো, আপডেট না করা WordPress সাইটে বাংলাদেশে খুব দেখা যায়। আগে সিকিউরিটির কাজ: স্প্যাম পেজ, ব্যাকডোর আর ভুয়া অ্যাডমিন সরিয়ে সাইট ক্লিন — ৳৮,০০০ থেকে, সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টায়। তারপর SEO-র কাজ: স্প্যাম URL-গুলো গুগল থেকে সরানো, Security issues-এ রিভিউ চাওয়া, sitemap ঠিক করা। শুধু পেজ মুছলে ব্যাকডোর থেকে যায় আর সাইট আবার হ্যাক হয়।
এটা সবচেয়ে সাধারণ আর সবচেয়ে ভালোভাবে ফেরানো যায় এমন কারণগুলোর একটা। পুরনো URL-এর তালিকা আমরা Search Console, পুরনো sitemap ও আর্কাইভ থেকে বের করি, প্রতিটা থেকে মিল থাকা নতুন পেজে ৩০১ রিডাইরেক্ট বসাই, noindex আর robots.txt দেখি, ইন্টারনাল লিংক ঠিক করি। ডেভেলপার ছাড়াও এটা করা যায়; শুধু হোস্টিং বা সাইটের অ্যাডমিন অ্যাক্সেস লাগে।
WhatsApp-এ ওয়েবসাইটের লিংক আর কবে থেকে ট্রাফিক কমেছে সেটা লিখে পাঠান; পারলে Search Console-এ আমাদের ‘restricted’ অ্যাক্সেস দিন। আমরা ফ্রি ডায়াগনসিস করে লিখিত রিপোর্ট দিই — কারণ, প্রমাণ আর ফিক্সের তালিকা — তারপর আপনি ঠিক করবেন এগোবেন কি না। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।
ওয়েবসাইটের লিংক আর পতনের আনুমানিক তারিখ WhatsApp করুন; আমরা Search Console দেখে লিখে দিই কারণটা কী, আর কোন ফিক্স আগে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
Javed IT Solution-এ কারণ খোঁজার ডায়াগনসিস প্রথম ফ্রি SEO অডিটের অংশ। রিকভারির কাজ — রিডাইরেক্ট, ইনডেক্সিং, কন্টেন্ট ও লিংক — প্রফেশনাল প্যাকেজে ৳১৫,০০০/মাস। সাইট হ্যাক হলে ক্লিনআপ ওয়েবসাইট সিকিউরিটি সার্ভিসে, ৳৮,০০০ থেকে, স্ক্যানের পর নির্দিষ্ট দাম। ‘পেনাল্টি রিমুভাল ফি’ বলে আলাদা কিছু নেই — কাজটা নির্ভর করে কারণের ওপর।
প্রথমে Search Console-এ Manual actions আর Security issues। তারপর Search Console-এর ক্লিক আর Analytics মিলিয়ে দেখুন — শুধু Analytics শূন্য হলে সম্ভবত ট্র্যাকিং কোড মুছে গেছে। এরপর গুগলে site:আপনারডোমেইন সার্চ করে অচেনা পেজ আছে কি না, আর গত কয়েক সপ্তাহে থিম, প্লাগইন, হোস্টিং বা URL বদলেছে কি না। ওপরের ‘প্রথম ৪৮ ঘণ্টা’ টেবিলে পুরো তালিকা আছে।
সত্যিকারের পেনাল্টি — যাকে গুগল manual action বলে — থাকলে Search Console-এর Manual actions রিপোর্টে লেখা থাকে, সাথে কারণও। সেখানে কিছু না থাকলে এটা পেনাল্টি নয়; তখন পতন সাধারণত core update, সাইটের কোনো টেকনিক্যাল ভুল, হ্যাক বা প্রতিযোগীর উন্নতির কারণে। কেউ Search Console না দেখেই ‘পেনাল্টি’ বললে সেটা অনুমান।
নোটিশে যে সমস্যার কথা বলা আছে — কেনা লিংক, স্প্যাম কন্টেন্ট, হ্যাক — সেটা আগে সত্যিই ঠিক করতে হয়। লিংকের ক্ষেত্রে প্রথমে সরানোর অনুরোধ, তারপর শুধু স্পষ্ট স্প্যাম লিংক disavow। এরপর Search Console-এ reconsideration request: কী ভুল ছিল, কী করা হয়েছে, প্রমাণসহ। গুগলের রিভিউতে সাধারণত কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ লাগে; প্রথমবার বাতিল হলে আরও কাজ করে আবার জমা দিতে হয়।
সৎ উত্তর: নির্দিষ্ট করে কেউ বলতে পারে না। core update কোনো শাস্তি নয় — গুগল নতুন করে মাপে কোন পেজ প্রশ্নের সবচেয়ে ভালো উত্তর দেয়। কন্টেন্ট সত্যিই ভালো করলে কিছু উন্নতি আগেও আসতে পারে, কিন্তু বড় ফেরা অনেক সময় পরের core update-এ দেখা যায়, যা কয়েক মাস পরে আসে। তাই আমরা কোনো তারিখের প্রতিশ্রুতি দিই না, আর এই সময়ে নতুন লিংক কেনার মতো শর্টকাট নিতে নিষেধ করি।
দুটোই। এটা জাপানি কীওয়ার্ড হ্যাক — পুরনো, আপডেট না করা WordPress সাইটে বাংলাদেশে খুব দেখা যায়। আগে সিকিউরিটির কাজ: স্প্যাম পেজ, ব্যাকডোর আর ভুয়া অ্যাডমিন সরিয়ে সাইট ক্লিন — ৳৮,০০০ থেকে, সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টায়। তারপর SEO-র কাজ: স্প্যাম URL-গুলো গুগল থেকে সরানো, Security issues-এ রিভিউ চাওয়া, sitemap ঠিক করা। শুধু পেজ মুছলে ব্যাকডোর থেকে যায় আর সাইট আবার হ্যাক হয়।
এটা সবচেয়ে সাধারণ আর সবচেয়ে ভালোভাবে ফেরানো যায় এমন কারণগুলোর একটা। পুরনো URL-এর তালিকা আমরা Search Console, পুরনো sitemap ও আর্কাইভ থেকে বের করি, প্রতিটা থেকে মিল থাকা নতুন পেজে ৩০১ রিডাইরেক্ট বসাই, noindex আর robots.txt দেখি, ইন্টারনাল লিংক ঠিক করি। ডেভেলপার ছাড়াও এটা করা যায়; শুধু হোস্টিং বা সাইটের অ্যাডমিন অ্যাক্সেস লাগে।
WhatsApp-এ ওয়েবসাইটের লিংক আর কবে থেকে ট্রাফিক কমেছে সেটা লিখে পাঠান; পারলে Search Console-এ আমাদের ‘restricted’ অ্যাক্সেস দিন। আমরা ফ্রি ডায়াগনসিস করে লিখিত রিপোর্ট দিই — কারণ, প্রমাণ আর ফিক্সের তালিকা — তারপর আপনি ঠিক করবেন এগোবেন কি না। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।