Javed IT Solution provides international SEO for Bangladeshi exporters, IT agencies and SaaS firms seeking buyers abroad — country pages, hreflang and native-level English. One English-speaking market starts at ৳15,000 (BDT) per month on Professional; multi-country work with E-E-A-T and digital PR is Enterprise at ৳30,000+ per month. Based in Mirpur-1, Dhaka, Bangladesh. Call +880 1616-901396 or message on WhatsApp for a free quote.
যে দেশের ক্রেতা চান, সেই দেশের ভাষা, মুদ্রা আর সময় মেনে আলাদা পেজ, ঠিকঠাক hreflang, দূরের ভিজিটরের জন্য দ্রুত সাইট আর প্রতিটা দেশের আলাদা রিপোর্ট — আর বাংলাদেশের ক্লায়েন্টদের সাইটটা যেমন আছে তেমনই থাকে।
ম্যানচেস্টারের একজন বায়ার লেখেন ‘knit polo shirt manufacturer Bangladesh’, টেক্সাসের এক স্টার্টআপ ফাউন্ডার লেখেন ‘outsource Laravel development team’। আপনার সাইট খুললে দেখেন অর্ধেক বাংলা, দাম টাকায়, শুধু একটা বাংলাদেশি মোবাইল নম্বর, অফিস কখন খোলা তা লেখা নেই। কয়েক সেকেন্ডেই তিনি ট্যাব বন্ধ করে পরের রেজাল্টে যান — প্রায়ই আপনার মতোই একটা কোম্পানি, যার সাইট শুধু তার সাথে তার মতো করে কথা বলে।
সাইটটা হয়তো দেশের সস্তা কোনো সার্ভারে, ছবিগুলো ভারী — ঢাকায় ঠিক চলে, লন্ডন বা নিউ ইয়র্ক থেকে খুলতে অনেক সময় নেয়। Search Console-এর দেশভিত্তিক রিপোর্ট খুললে দেখা যায় আমেরিকা থেকে ইম্প্রেশন আসছে, কিন্তু ক্লিক প্রায় নেই — অথচ কেউ কখনো দেশ ধরে দেখেনি। যে ইংরেজি মেশিন দিয়ে অনুবাদ করা বা বাংলা বাক্যের ধাঁচে লেখা, সেটা বিদেশি ক্রেতা প্রথম লাইনেই ধরে ফেলেন।
ফলে পুরো ব্যবসা চলে Upwork, Fiverr বা বড় B2B মার্কেটপ্লেসের ওপর: প্রতিটা অর্ডারে প্ল্যাটফর্মের ফি, হাজার জনের সাথে দামে লড়াই, ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্কটা প্ল্যাটফর্মের হাতে। অ্যাকাউন্টে একটা সমস্যা হলেই কাজ আসা বন্ধ। মার্কেটপ্লেস দিয়ে শুরু করা ভালো — কিন্তু ওটা ভাড়া করা জায়গা, নিজের নয়।
প্রথমে কোন দেশ, কোন ভাষা — সেটা ঠিক করি: Search Console-এ কোন দেশ থেকে ইম্প্রেশন আসছে, আপনার এখনকার ক্রেতা কোথাকার, কোন দেশে আপনি সত্যিই ডেলিভারি দিতে বা কাজ করতে পারেন। দশটা দেশ নয়, শুরুতে এক বা দুইটা। তারপর ওই বাজারের ক্রেতা যে কীওয়ার্ড লেখেন — বিশেষ করে ‘manufacturer in Bangladesh’ বা ‘offshore team Bangladesh’-এর মতো সার্চ, যেখানে বাংলাদেশি হওয়াটা বাধা নয়, সুবিধা।
তারপর কাঠামো: সাধারণত একটা .com ডোমেইনে /en/ আর /bn/, বা দেশভেদে পার্থক্য বেশি হলে /us/, /uk/ — সাথে দুই দিকেই hreflang ট্যাগ আর x-default। প্রতিটা দেশের পেজে আসল পার্থক্য: দাম বা কোটেশন USD, GBP বা AED-তে, ডেলিভারি ও শিপিং শর্ত, ক্রেতার টাইম জোনে অফিস সময়, আর তিনি যে পেমেন্ট পদ্ধতি আশা করেন (PayPal, Wise বা ব্যাংক ওয়্যার — যেটা আপনি আসলে নেন)। Cloudflare CDN দিয়ে সাইট নিউ ইয়র্ক বা দুবাই থেকেও দ্রুত খোলে।
শেষে বিশ্বাস আর পরিচিতি: নেটিভ মানের ইংরেজি — আমরা লিখি ও এডিট করি; About পেজে কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন, অফিস বা ফ্যাক্টরির ঠিকানা, আসল ছবি, আপনার দেওয়া সার্টিফিকেট আর কেস স্টাডি; কে লিখছেন তা বোঝাতে E-E-A-T অথর পেজ; আন্তর্জাতিক ডিরেক্টরি ও B2B প্ল্যাটফর্মে প্রোফাইল, আর ডিজিটাল PR। প্রতি মাসের রিপোর্টে প্রতিটা দেশ আলাদা: ইম্প্রেশন, ক্লিক আর সেই দেশ থেকে আসা ইনকোয়ারি।
বিদেশি ক্রেতা আপনার অফিসে আসেন না, আসেন আপনার ওয়েবসাইটে — সেটা তাঁর ভাষায় কথা বলুক।
কোন বাজারে আগে যাবেন, সেখানকার ক্রেতা কী লেখেন, আর কোন সার্চে বাংলাদেশি হওয়াটাই সুবিধা।
এক সাইটে /en/ ও /bn/ বা দেশভিত্তিক ফোল্ডার; দুই দিকের hreflang, x-default, Search Console-এ চেক।
মুদ্রা, ডেলিভারি শর্ত, টাইম জোন, পেমেন্ট আর বানান — প্রতিটা দেশে সত্যিকারের পার্থক্যসহ।
মূল পেজের ইংরেজি আমরা নতুন করে লিখি ও এডিট করি; E-E-A-T অথর পেজ আর কেস স্টাডি।
Cloudflare CDN, ছবি ছোট করা, ক্যাশিং — আমেরিকা, ইউরোপ বা উপসাগরীয় দেশ থেকে সাইট দ্রুত খোলে।
আন্তর্জাতিক ডিরেক্টরি, B2B প্ল্যাটফর্ম প্রোফাইল, ট্রেড পাবলিকেশনে ডিজিটাল PR; রেজিস্ট্রেশন ও সার্টিফিকেট পেজ।
বেশিরভাগ বাংলাদেশি কোম্পানি প্রথম দুইটার একটায় আছে। তুলনাটা দেখুন, তারপর ঠিক করুন।
| বিষয় | সবার জন্য একই সাইট | শুধু Upwork বা মার্কেটপ্লেস | দেশভিত্তিক পেজসহ ইন্টারন্যাশনাল SEO (Javed IT Solution) |
|---|---|---|---|
| ভাষা ও মুদ্রা | এক ভাষা, টাকায় দাম — বিদেশি ক্রেতার কাছে অচেনা | প্ল্যাটফর্ম যা দেয় তাই — আপনার নিজের কিছু নয় | প্রতিটা দেশের ভাষা, বানান, USD/GBP/AED ও পেমেন্ট পদ্ধতি |
| বিশ্বাসের চিহ্ন | রেজিস্ট্রেশন, ঠিকানা, সার্টিফিকেট খুঁজে পাওয়া যায় না | প্ল্যাটফর্মের রিভিউ — অ্যাকাউন্ট গেলে সব যায় | রেজিস্ট্রেশন, ঠিকানা, সার্টিফিকেট, কেস স্টাডি, অথর পেজ — নিজের সাইটে |
| বিদেশ থেকে স্পিড | দেশি সার্ভার থেকে ধীরে খোলে | প্ল্যাটফর্মের হাতে | Cloudflare CDN — কাছের সার্ভার থেকে খোলে |
| দেশভিত্তিক মাপ | কেউ দেখে না | প্ল্যাটফর্মের ড্যাশবোর্ডে যতটুকু দেখায় | Search Console ও GA4-এ প্রতিটা দেশ আলাদা — মাসিক রিপোর্ট |
| প্ল্যাটফর্মের ওপর নির্ভরতা | কম, কিন্তু বিদেশি সার্চে প্রায় অদৃশ্য | পুরোটা — নিয়ম বদলালে বা অ্যাকাউন্টে সমস্যা হলে কাজ বন্ধ | নিজের চ্যানেল; মার্কেটপ্লেস থাকলে সেটা বাড়তি পথ হয়ে থাকে |
| ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্ক | আপনার, কিন্তু ক্লায়েন্ট আসেই কম | প্ল্যাটফর্মের — বাইরে যোগাযোগে নিষেধ থাকে | আপনার — ইনকোয়ারি সরাসরি আপনার ইমেইল ও WhatsApp-এ |
| খরচ | নতুন খরচ নেই, বিদেশি ক্রেতাও নেই | শুরু ফ্রি, প্রতিটা কাজে প্ল্যাটফর্ম ফি | এক দেশ ৳১৫,০০০/মাস থেকে; একাধিক দেশ ৳৩০,০০০+/মাস |
সৎ কথা: একদম শুরুতে, যখন পোর্টফোলিও বা কেস স্টাডি নেই, মার্কেটপ্লেসই দ্রুত প্রথম ক্লায়েন্ট ও রিভিউ দেয় — সেটা ছাড়বেন না, SEO পাশাপাশি দ্বিতীয় পথ বানায়। আর আগামী মাসেই কোনো দেশের চাহিদা যাচাই করতে চাইলে সেই দেশে Google Ads দ্রুত উত্তর দেয়; SEO দীর্ঘ মেয়াদের কাজ।
একই ইংরেজি পেজ সব দেশে চলে না। নিচের পার্থক্যগুলোই একটা দেশের পেজকে আলাদা ও কাজের করে।
| বাজার | ভাষা ও বানান | মুদ্রা ও ক্রেতা যে পেমেন্ট আশা করেন | বিশ্বাসের চিহ্ন | সময় ও যোগাযোগ |
|---|---|---|---|---|
| আমেরিকা | আমেরিকান ইংরেজি বানান (color, optimize) | USD; PayPal, Wise, ব্যাংক ওয়্যার | কেস স্টাডি, স্পষ্ট চুক্তির শর্ত, কোম্পানির পূর্ণ তথ্য | ঢাকার রাত = ওদের দিন; ইমেইলে উত্তর আর আগে থেকে ঠিক করা কল |
| যুক্তরাজ্য | ব্রিটিশ বানান (colour, optimise) | GBP; ব্যাংক ট্রান্সফার, Wise | কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, UK GDPR মেনে প্রাইভেসি পেজ | ঢাকার বিকেল-সন্ধ্যায় ওদের অফিস সময়ের সাথে মেলে |
| ইউরোপ | B2B-তে ইংরেজি চলে; ক্রেতা চাইলে জার্মান বা ফরাসি ভার্সন | EUR; ব্যাংক ট্রান্সফার, এক্সপোর্টে L/C | GDPR প্রাইভেসি ও কুকি নোটিস, কমপ্লায়েন্স সার্টিফিকেট | ঢাকার দুপুর থেকে সন্ধ্যা |
| উপসাগরীয় দেশ (UAE, সৌদি) | ব্যবসায় ইংরেজি; সাধারণ ক্রেতার জন্য আরবি (ডান থেকে বামে লেআউট) | AED বা SAR; ব্যাংক ট্রান্সফার | ট্রেড লাইসেন্স, WhatsApp-এ সরাসরি যোগাযোগ, লোকাল পার্টনার থাকলে তার তথ্য | সময়ের পার্থক্য কম; দুই দেশের সাপ্তাহিক ছুটি এক নয় — অফিস সময় স্পষ্ট লিখুন |
| মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর | ব্রিটিশ ঘেঁষা ইংরেজি; মালয়েশিয়ায় সাধারণ ক্রেতার জন্য মালয় ভার্সন | MYR বা SGD; ব্যাংক ট্রান্সফার | কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, ডেলিভারি ও শিপিং শর্ত স্পষ্ট | ঢাকার কাজের দিনের সাথে প্রায় পুরোটাই মেলে |
| অস্ট্রেলিয়া | অস্ট্রেলিয়ান ইংরেজি (ব্রিটিশ বানান) | AUD; ব্যাংক ট্রান্সফার, PayPal | কেস স্টাডি, স্পষ্ট দাম বা কোটেশনের নিয়ম | ঢাকার সকাল = ওদের দুপুর-বিকেল |
পেমেন্ট পদ্ধতি এখানে ক্রেতা কী আশা করেন তা বোঝাতে — আমরা পেমেন্ট গেটওয়ে বিক্রি করি না। আপনি যেটা আসলে নেন, পেজে শুধু সেটাই লেখা হয়।
| মাস | কাজ | আপনি কী দেখবেন |
|---|---|---|
| ১ম মাস — দেশ বাছাই ও ভিত্তি | ফ্রি অডিট, Search Console-এর দেশভিত্তিক ডেটা, প্রথম বাজারের কীওয়ার্ড রিসার্চ, URL কাঠামো ও hreflang পরিকল্পনা, Cloudflare CDN | লিখিত পরিকল্পনা: কোন দেশ, কোন ভাষা, কোন পেজ; বিদেশ থেকে সাইট দ্রুত খোলে |
| ২য় মাস — ইংরেজি ও বিশ্বাস | মূল পেজের ইংরেজি নতুন করে লেখা, About ও কোম্পানির তথ্য, সার্টিফিকেট ও কেস স্টাডি পেজ, অথর পেজ, Organization schema | বিদেশি ক্রেতার চোখে বিশ্বাসযোগ্য সাইট |
| ৩য় মাস — দেশের পেজ ও hreflang | প্রথম দেশের ল্যান্ডিং পেজ (মুদ্রা, ডেলিভারি, সময়), hreflang চালু ও যাচাই, আন্তর্জাতিক ডিরেক্টরি ও B2B প্রোফাইল | ওই দেশ থেকে ইম্প্রেশন বাড়তে শুরু করে |
| ৪র্থ–৫ম মাস — কন্টেন্ট ও লিংক | ক্রেতার প্রশ্নের উত্তরে কন্টেন্ট (MOQ, লিড টাইম, কাজের ধরন), ব্যাকলিংক, এন্টারপ্রাইজে ডিজিটাল PR | প্রথম বিদেশি ইনকোয়ারি সাধারণত এই সময়ে দেখা যায় |
| ৬ষ্ঠ মাস — হিসাব ও পরের দেশ | দেশভিত্তিক ফল দেখে সিদ্ধান্ত: প্রথম দেশে আরও জোর, নাকি দ্বিতীয় দেশ যোগ | প্রতিটা দেশের ক্লিক ও ইনকোয়ারি পাশাপাশি তুলনা |
দৃশ্যমান ফল সাধারণত ৩–৬ মাসে; আমেরিকা বা যুক্তরাজ্যের মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ ইংরেজি বাজারে আরও বেশি সময় লাগে। এটা সময়ের হিসাব, প্রতিশ্রুতি নয়।
প্রথম SEO অডিট ফ্রি। চূড়ান্ত খরচ ঠিক হয় দেশ ও ভাষার সংখ্যা, পেজ আর প্রতিযোগিতা দেখে, ফ্রি কনসালটেশনে। অ্যাড-অন — নতুন ব্লগ আর্টিকেল, সাইট স্পিড অপটিমাইজেশন, টার্গেট দেশে Google Ads সেটআপ — কোটেশন সাপেক্ষে। বাংলাদেশের ক্লায়েন্টদের জন্য লোকাল SEO আলাদা লাগলে বেসিক প্যাকেজ ৳৮,০০০/মাস। পেমেন্ট bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংক ট্রান্সফার।
Javed IT Solution-এ একটা ইংরেজিভাষী দেশ দিয়ে শুরু করলে প্রফেশনাল প্যাকেজ — ৳১৫,০০০/মাস, যাতে টেকনিক্যাল SEO, hreflang, সাইট স্পিড, কন্টেন্ট অপটিমাইজেশন, ব্যাকলিংক আর মাসিক রিপোর্ট থাকে। একাধিক দেশ বা ভাষা, E-E-A-T আর ডিজিটাল PR লাগলে এন্টারপ্রাইজ ৳৩০,০০০+/মাস। প্রথম অডিট ফ্রি।
সাধারণত না। বেশিরভাগ কোম্পানির জন্য একটা .com ডোমেইনে ফোল্ডার (/en/, /bn/ বা /us/, /uk/) সবচেয়ে ভালো — পুরো সাইটের অথরিটি এক জায়গায় থাকে। কোনো দেশে আপনার বড় অফিস ও আলাদা টিম থাকলে তবেই সেই দেশের নিজস্ব ডোমেইন (যেমন .co.uk) ভাবা যায়। যেভাবেই হোক, hreflang দিয়ে গুগলকে বলে দিতে হয় কোন পেজ কোন দেশ ও ভাষার — আর পেজগুলোতে আসল পার্থক্য থাকতে হয়, নইলে গুগল সেগুলোকে ডুপ্লিকেট ধরে একটাকেই দেখায়।
সৎ উত্তর: ‘web design agency New York’-এর মতো সাধারণ লোকাল সার্চে ওই শহরের ঠিকানাওয়ালা কোম্পানিই এগিয়ে থাকে, আর সেখানে আমরা আপনাকে জেতানোর কথা বলব না। কিন্তু অনেক বিদেশি ক্রেতা ইচ্ছা করেই খোঁজেন ‘garment manufacturer Bangladesh’, ‘offshore development team’ বা নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের নাম লিখে — সেসব সার্চে বাংলাদেশি কোম্পানি স্বাভাবিকভাবেই প্রাসঙ্গিক। আমরা আগে সেগুলো ধরি, তারপর বড় সার্চে যাই।
সাধারণত ৩–৬ মাসে দৃশ্যমান ফল দেখা যায়; আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ ইংরেজি বাজারে আরও বেশি। প্রথম মাস থেকেই রিপোর্টে প্রতিটা দেশ আলাদা দেখবেন — Search Console-এ সেই দেশের ইম্প্রেশন ও ক্লিক, আর সেখান থেকে আসা ইনকোয়ারি। কয়েক মাস রিপোর্ট দেখে আপনিই ঠিক করবেন কোন দেশে জোর বাড়াবেন।
হ্যাঁ। বাংলা বা বাংলাদেশের অংশটা যেমন আছে থাকে, hreflang-এ সেটাকে bn-BD হিসেবে চিহ্নিত করি। আমরা IP দেখে ভিজিটরকে জোর করে অন্য ভার্সনে পাঠাই না — গুগলের ক্রলার মূলত আমেরিকা থেকে আসে, জোর করে রিডাইরেক্ট করলে বাংলা ভার্সনই গুগলের চোখের আড়ালে চলে যেতে পারে। বদলে একটা ভাষা ও দেশ বাছাইয়ের অপশন রাখি। যুক্তরাজ্যে থাকা NRB-রা বাংলায় খুঁজলে তাঁদের জন্য আলাদা বাংলা পেজও করা যায়।
না। মূল পেজের ইংরেজি আমরা নেটিভ মানে লিখি ও এডিট করি, টার্গেট দেশের বানান মেনে (আমেরিকান বা ব্রিটিশ)। প্রোডাক্টের টেকনিক্যাল তথ্য, সার্টিফিকেট আর কেস স্টাডির তথ্য আপনি দেন — আমরা কিছু বানিয়ে লিখি না। আরবি, জার্মান বা মালয় ভার্সন লাগলে সেই ভাষার নেটিভ অনুবাদক দরকার — আপনার দিকে থাকলে সবচেয়ে ভালো; hreflang ও টেকনিক্যাল অংশ আমরা সামলাই।
মার্কেটপ্লেস রাখুন — ওটা কাজ আনছে। সমস্যা হলো সব ডিম এক ঝুড়িতে: প্রতিটা কাজে ফি, দামে লড়াই, আর নিয়ম বদলালে বা অ্যাকাউন্টে সমস্যা হলে কাজ বন্ধ। নিজের সাইটে সরাসরি আসা ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্কটা আপনার। এছাড়া আন্তর্জাতিক ডিরেক্টরি ও B2B প্ল্যাটফর্মের প্রোফাইল আমরা SEO-রই অংশ হিসেবে ঠিক করি — এগুলোর অনেক লিংক nofollow, কিন্তু ক্রেতা সেখানে আপনাকে খুঁজে পান আর গুগল আপনার কোম্পানিকে চিনতে পারে।
আপনার ওয়েবসাইটের লিংক, কোন দেশ থেকে ক্রেতা চান আর কী বিক্রি করেন — এটুকু WhatsApp-এ পাঠান। আমরা ফ্রি অডিট করে লিখিত রিপোর্ট দিই: কোন দেশ থেকে এখনই সার্চে আসছেন, বিদেশ থেকে সাইট কত দ্রুত খোলে, কী ঘাটতি। তারপর আপনি ঠিক করবেন এগোবেন কি না। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।
সাইটের লিংক আর টার্গেট দেশের নাম WhatsApp করুন; আমরা দেখাই কোন দেশের সার্চে আপনি আছেন, কোথায় নেই, আর সেখানকার ক্রেতার জন্য পেজে কী বদলাতে হবে।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
Javed IT Solution-এ একটা ইংরেজিভাষী দেশ দিয়ে শুরু করলে প্রফেশনাল প্যাকেজ — ৳১৫,০০০/মাস, যাতে টেকনিক্যাল SEO, hreflang, সাইট স্পিড, কন্টেন্ট অপটিমাইজেশন, ব্যাকলিংক আর মাসিক রিপোর্ট থাকে। একাধিক দেশ বা ভাষা, E-E-A-T আর ডিজিটাল PR লাগলে এন্টারপ্রাইজ ৳৩০,০০০+/মাস। প্রথম অডিট ফ্রি।
সাধারণত না। বেশিরভাগ কোম্পানির জন্য একটা .com ডোমেইনে ফোল্ডার (/en/, /bn/ বা /us/, /uk/) সবচেয়ে ভালো — পুরো সাইটের অথরিটি এক জায়গায় থাকে। কোনো দেশে আপনার বড় অফিস ও আলাদা টিম থাকলে তবেই সেই দেশের নিজস্ব ডোমেইন (যেমন .co.uk) ভাবা যায়। যেভাবেই হোক, hreflang দিয়ে গুগলকে বলে দিতে হয় কোন পেজ কোন দেশ ও ভাষার — আর পেজগুলোতে আসল পার্থক্য থাকতে হয়, নইলে গুগল সেগুলোকে ডুপ্লিকেট ধরে একটাকেই দেখায়।
সৎ উত্তর: ‘web design agency New York’-এর মতো সাধারণ লোকাল সার্চে ওই শহরের ঠিকানাওয়ালা কোম্পানিই এগিয়ে থাকে, আর সেখানে আমরা আপনাকে জেতানোর কথা বলব না। কিন্তু অনেক বিদেশি ক্রেতা ইচ্ছা করেই খোঁজেন ‘garment manufacturer Bangladesh’, ‘offshore development team’ বা নির্দিষ্ট প্রোডাক্টের নাম লিখে — সেসব সার্চে বাংলাদেশি কোম্পানি স্বাভাবিকভাবেই প্রাসঙ্গিক। আমরা আগে সেগুলো ধরি, তারপর বড় সার্চে যাই।
সাধারণত ৩–৬ মাসে দৃশ্যমান ফল দেখা যায়; আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের মতো প্রতিযোগিতাপূর্ণ ইংরেজি বাজারে আরও বেশি। প্রথম মাস থেকেই রিপোর্টে প্রতিটা দেশ আলাদা দেখবেন — Search Console-এ সেই দেশের ইম্প্রেশন ও ক্লিক, আর সেখান থেকে আসা ইনকোয়ারি। কয়েক মাস রিপোর্ট দেখে আপনিই ঠিক করবেন কোন দেশে জোর বাড়াবেন।
হ্যাঁ। বাংলা বা বাংলাদেশের অংশটা যেমন আছে থাকে, hreflang-এ সেটাকে bn-BD হিসেবে চিহ্নিত করি। আমরা IP দেখে ভিজিটরকে জোর করে অন্য ভার্সনে পাঠাই না — গুগলের ক্রলার মূলত আমেরিকা থেকে আসে, জোর করে রিডাইরেক্ট করলে বাংলা ভার্সনই গুগলের চোখের আড়ালে চলে যেতে পারে। বদলে একটা ভাষা ও দেশ বাছাইয়ের অপশন রাখি। যুক্তরাজ্যে থাকা NRB-রা বাংলায় খুঁজলে তাঁদের জন্য আলাদা বাংলা পেজও করা যায়।
না। মূল পেজের ইংরেজি আমরা নেটিভ মানে লিখি ও এডিট করি, টার্গেট দেশের বানান মেনে (আমেরিকান বা ব্রিটিশ)। প্রোডাক্টের টেকনিক্যাল তথ্য, সার্টিফিকেট আর কেস স্টাডির তথ্য আপনি দেন — আমরা কিছু বানিয়ে লিখি না। আরবি, জার্মান বা মালয় ভার্সন লাগলে সেই ভাষার নেটিভ অনুবাদক দরকার — আপনার দিকে থাকলে সবচেয়ে ভালো; hreflang ও টেকনিক্যাল অংশ আমরা সামলাই।
মার্কেটপ্লেস রাখুন — ওটা কাজ আনছে। সমস্যা হলো সব ডিম এক ঝুড়িতে: প্রতিটা কাজে ফি, দামে লড়াই, আর নিয়ম বদলালে বা অ্যাকাউন্টে সমস্যা হলে কাজ বন্ধ। নিজের সাইটে সরাসরি আসা ক্লায়েন্টের সাথে সম্পর্কটা আপনার। এছাড়া আন্তর্জাতিক ডিরেক্টরি ও B2B প্ল্যাটফর্মের প্রোফাইল আমরা SEO-রই অংশ হিসেবে ঠিক করি — এগুলোর অনেক লিংক nofollow, কিন্তু ক্রেতা সেখানে আপনাকে খুঁজে পান আর গুগল আপনার কোম্পানিকে চিনতে পারে।
আপনার ওয়েবসাইটের লিংক, কোন দেশ থেকে ক্রেতা চান আর কী বিক্রি করেন — এটুকু WhatsApp-এ পাঠান। আমরা ফ্রি অডিট করে লিখিত রিপোর্ট দিই: কোন দেশ থেকে এখনই সার্চে আসছেন, বিদেশ থেকে সাইট কত দ্রুত খোলে, কী ঘাটতি। তারপর আপনি ঠিক করবেন এগোবেন কি না। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।