Javed IT Solution, a Dhaka SEO agency, gives business owners in Bangladesh a 12-point checklist to compare any SEO agency or freelancer — including us — before signing. Our SEO packages start at ৳8,000 (BDT) per month (Basic); Professional is ৳15,000 per month; Enterprise is ৳30,000+ per month; the first audit is free, with written findings. Call +880 1616-901396 or message on WhatsApp for a free quote.
ফ্রি অডিটে আসল সমস্যা ধরা পড়ে কি না, Search Console কার নামে, রিপোর্টে কী থাকে আর ছেড়ে গেলে হাতে কী থাকে — এই প্রশ্নগুলোর লিখিত উত্তর না পেয়ে মাসিক টাকা পাঠানো শুরু করবেন না।
শুরুটা প্রায় সবার একই রকম। Facebook-এ একটা বিজ্ঞাপন বা পরিচিত কারও রেফারেন্স — ‘এক মাসেই গুগলের প্রথম পেজ’। দাম কম, কথা মিষ্টি, bKash-এ অগ্রিম চলে যায়। মাস শেষে আসে একটা স্ক্রিনশট, তারপর আরেকটা। কোন কীওয়ার্ডে, কোন শহর থেকে, কোন দিন তোলা — কেউ জানে না; আর ফোনে কোনো নতুন কাস্টমারও আসেনি।
Search Console-এর access চাইলে উত্তর আসে, ‘ওটা আমাদের টুল, আপনার দেখার দরকার নেই।’ Analytics খোলা হয়েছে তাদের Gmail-এ। এই মাসে কোন পেজে কী কাজ হলো তার লিস্ট নেই, ব্যাকলিংক কোন সাইট থেকে এল তারও কোনো হিসাব নেই। যেদিন এজেন্সি বদলাতে চাইবেন, সেদিন দেখবেন ডেটা, ইতিহাস, এমনকি ওয়েবসাইটের লগইনও অন্য কারও হাতে।
সবচেয়ে খারাপটা আসে পরে। ‘৳৫০০-এ ১,০০০ ব্যাকলিংক’ মানে সাধারণত স্প্যাম সাইট, কমেন্ট আর ফোরামের লিংক; পেজে লুকানো লেখা আর একই কীওয়ার্ড বারবার ঠেসে দেওয়া — সবই গুগলের স্প্যাম নীতির বিরুদ্ধে। র্যাংক কিছুদিন ওঠে, তারপর পড়ে যায়, আর সেই ক্ষতি সারানো নতুন করে শুরুর চেয়েও কঠিন। সমস্যাটা SEO-র নয় — বাছাইয়ের।
যে এজেন্সির সাথেই কথা বলুন — আমাদের সাথেও — এই ১২টা বিষয় লিখিতভাবে জেনে নিন: ফ্রি অডিটে আসল ফাইন্ডিং, মাসের কাজের লিখিত লিস্ট, Search Console ও Analytics আপনার নামে, রিপোর্টের ফরম্যাট, ‘১ নম্বর নিশ্চিত’ না বলা, লিংক কোথা থেকে আসবে, কন্টেন্ট কে লিখবে, white-hat পদ্ধতির লিখিত কথা, চুক্তি ও বের হওয়ার শর্ত, কত দিন পরপর আপডেট, কাজটা আসলে কে করে, আর ফোন করে কথা বলা যায় এমন রেফারেন্স। লিখিত উত্তর দিতে যে আগ্রহী নয়, তার মাসিক দাম যত কমই হোক — সেটা দামি।
আমরা নিজেরা এভাবে উত্তর দিই: প্রথম অডিট ফ্রি, লিখিত ফাইন্ডিংসহ — কোন পেজ কেন সার্চে আসছে না, কী ঠিক করতে হবে। Search Console ও Analytics খোলা হয় আপনার নিজের Google অ্যাকাউন্টে, আমরা থাকি শুধু ইউজার হিসেবে — কাল কাজ বন্ধ করলেও ডেটা আপনার কাছেই থাকে। লিংক কোন সাইট থেকে, কন্টেন্ট কে লিখছে, কোন পদ্ধতিতে — সব রিপোর্টে লেখা থাকে; কেনা লিংক, লুকানো লেখা বা কীওয়ার্ড ঠাসা কখনো নয়।
মাসিক রিপোর্ট পড়তে SEO জানতে হয় না। চারটা জিনিস দেখুন: ইমপ্রেশন বাড়ছে কি না, কোন পেজে ক্লিক আসছে, কোন কীওয়ার্ডের অবস্থান উঠছে বা নামছে, আর এই মাসে কোন পেজে ঠিক কী কাজ হলো। দৃশ্যমান ফল সাধারণত ৩–৬ মাসে আসে, তাই ৩য় মাসে খুঁজবেন দিক — ইমপ্রেশন ও অবস্থান ঠিক দিকে যাচ্ছে কি না — আর সেই ডেটা দেখে আপনি নিজেই ঠিক করবেন চালাবেন, দিক বদলাবেন, নাকি থামাবেন।
যে এজেন্সি আপনাকে নিজের ডেটা দেখাতে চায় না, তার প্রতিশ্রুতি শুনে লাভ নেই।
কোন পেজ কেন সার্চে আসছে না, টেকনিক্যাল ভুল, কীওয়ার্ডের ঘাটতি — সাধারণ কথা নয়, আপনার সাইটের আসল সমস্যা।
কোন পেজে অন-পেজ কাজ, কোন টেকনিক্যাল ফিক্স, কোন কন্টেন্ট — নাম ধরে লেখা, যাতে মাস শেষে মিলিয়ে নিতে পারেন।
অ্যাকাউন্টের মালিক আপনি, আমরা শুধু ইউজার। এজেন্সি বদলালেও ডেটা আর ইতিহাস আপনার কাছেই থাকে।
প্রতিটা পেজের ইমপ্রেশন ও ক্লিক, কীওয়ার্ডের অবস্থানের বদল আর ঠিক কী কাজ হলো — Search Console থেকে।
প্রতিটা লিংকের সাইট আর কেন ওটা আপনার ব্যবসার সাথে মেলে; কেনা বা অটো-জেনারেটেড লিংক কখনো নয়।
তিন মাসের রিপোর্ট পাশাপাশি রেখে দেখা — কী বদলাল, কী বদলায়নি; চালানো, দিক বদলানো বা থামানো আপনার সিদ্ধান্ত।
নাম নয়, ধরন দেখে তুলনা — কারণ ভালো ফ্রিল্যান্সার আর খারাপ এজেন্সি দুটোই আছে।
| বিষয় | সস্তা ‘প্রথম পেজ’ অফার | ফ্রিল্যান্সার | এজেন্সি (আমরাসহ) |
|---|---|---|---|
| স্বচ্ছতা | কী কাজ হবে বলা হয় না, শুধু ফলের প্রতিশ্রুতি | মানুষভেদে আলাদা — লিখিত লিস্ট চেয়ে নিন | মাসের কাজের লিখিত লিস্ট থাকা উচিত |
| অ্যাক্সেস | Search Console দেওয়া হয় না, বা থাকেই না | অনেক সময় ফ্রিল্যান্সারের নিজের Gmail-এ | আপনার Google অ্যাকাউন্টে, এজেন্সি শুধু ইউজার |
| রিপোর্ট | ‘১ নম্বর’-এর স্ক্রিনশট | কখনো বিস্তারিত, কখনো একটা মেসেজ | ইমপ্রেশন, ক্লিক, অবস্থান ও কাজের তালিকা — মাসিক |
| পদ্ধতি | কেনা লিংক, লুকানো লেখা, কীওয়ার্ড ঠাসা | একজন মানুষ যা পারেন — সাধারণত অন-পেজ | অন-পেজ, টেকনিক্যাল, কন্টেন্ট ও লিংক একসাথে |
| ঝুঁকি | পেনাল্টি, র্যাংক হঠাৎ পড়ে যাওয়া | মানুষটা ব্যস্ত বা অসুস্থ হলে কাজ থেমে যায় | দাম বেশি; ভুল এজেন্সি হলে একই ঝুঁকি |
| খরচের ধরন | শুরুতে খুব কম — ক্ষতি সারাতে পরে বেশি | সাধারণত এজেন্সির চেয়ে কম, মানুষভেদে আলাদা | নির্দিষ্ট মাসিক প্যাকেজ — আমাদের ৳৮,০০০/মাস থেকে |
| কাজটা কে করে | জানা যায় না — প্রায়ই অন্য কাউকে দিয়ে | যার সাথে কথা বলছেন, তিনিই | জিজ্ঞেস করে লিখিত নিন — আমাদের কাছেও |
সৎ কথা: ছোট সাইট, অল্প কয়েকটা কীওয়ার্ড আর সীমিত বাজেট হলে একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার — যিনি ওপরের ১২ পয়েন্টে পাশ করেন — আপনার জন্য ঠিক হতে পারেন। এজেন্সি দরকার যখন টেকনিক্যাল, কন্টেন্ট আর লিংক তিন দিকের কাজ একসাথে চালাতে হয়, বা একজনের ওপর পুরো কাজ ঝুলিয়ে রাখতে চান না।
প্রতিটা এজেন্সি বা ফ্রিল্যান্সারকে একই প্রশ্ন করুন, উত্তর লিখিত চান, তারপর এই টেবিলের সাথে মেলান।
| পয়েন্ট | কেন জরুরি | ভালো উত্তর |
|---|---|---|
| ১. ফ্রি অডিট | অডিট দেখায় তারা আপনার সাইট আসলে খুলে দেখেছে কি না | আপনার পেজের নাম ধরে লিখিত ফাইন্ডিং |
| ২. মাসের কাজের লিস্ট | লিস্ট না থাকলে মাস শেষে কী হলো মেলানোর উপায় নেই | কোন পেজে কী কাজ — মাসের শুরুতে লিখিত |
| ৩. Search Console ও Analytics | ডেটা যার নামে, এজেন্সি বদলালে ইতিহাস তার কাছে থাকে | আপনার Google অ্যাকাউন্টে, এজেন্সি ইউজার |
| ৪. রিপোর্টের ফরম্যাট | রিপোর্টই আপনার একমাত্র মাপকাঠি | ইমপ্রেশন, ক্লিক, অবস্থান, করা কাজ — নমুনাসহ |
| ৫. ‘১ নম্বর নিশ্চিত’ | Google নিজেই বলে কেউ ১ নম্বরের নিশ্চয়তা দিতে পারে না | ‘সাধারণত ৩–৬ মাসে দৃশ্যমান ফল, অবস্থান কথা দেওয়া যায় না’ |
| ৬. লিংক কোথা থেকে | স্প্যাম লিংকে পেনাল্টি আসে | প্রতিটা লিংকের সাইট আর কারণ, রিপোর্টে |
| ৭. কন্টেন্ট কে লেখে | পাতলা বা কপি কন্টেন্ট র্যাংক করে না | কে লিখবে, আপনি কখন দেখে অনুমোদন দেবেন — পরিষ্কার |
| ৮. white-hat পদ্ধতি | লুকানো লেখা বা কীওয়ার্ড ঠাসা ধরা পড়লে র্যাংক যায় | গুগলের নীতির ভেতরে কাজ — লিখিতভাবে |
| ৯. চুক্তি ও বের হওয়া | বন্ধ করলে কী হাতে থাকবে, আগে জানা দরকার | মেয়াদ, বন্ধের নোটিশ আর কী আপনার — লিখিত |
| ১০. যোগাযোগের নিয়ম | চুপ থাকা এজেন্সি মানে সাধারণত কাজ হচ্ছে না | মাসিক রিপোর্ট, প্রশ্নের উত্তর কোন চ্যানেলে — ঠিক করা |
| ১১. কাজটা কে করে | বিক্রি করে একজন, কাজ করে অন্য কেউ — হতেই পারে | কে করবে আর কাকে প্রশ্ন করবেন — নাম ধরে |
| ১২. রেফারেন্স | আগের ক্লায়েন্টই আসল অভিজ্ঞতা বলতে পারেন | অন্তত একজন ক্লায়েন্ট, যাঁকে ফোন করা যায় |
১২টার মধ্যে ১, ৩, ৫ আর ৬ নম্বরে ভুল উত্তর মানে কথা ওখানেই শেষ করুন — বাকিগুলো দরকষাকষির বিষয় হতে পারে, এই চারটা নয়।
| রিপোর্টের অংশ | কী দেখায় | না থাকলে কী বুঝবেন |
|---|---|---|
| ডেটার উৎস | আপনার নিজের Search Console ও Analytics — আপনি নিজেও খুলে মেলাতে পারেন | সংখ্যাগুলো কোথা থেকে এল, যাচাইয়ের উপায় নেই |
| পেজভিত্তিক ইমপ্রেশন ও ক্লিক | কোন পেজ কতবার সার্চে দেখা গেল আর কতজন ক্লিক করল, আগের মাসের পাশে | ট্রাফিক আসলে বাড়ছে কি না বোঝা যাবে না |
| কীওয়ার্ডের অবস্থানের বদল | আপনার ব্যবসার আসল কীওয়ার্ডগুলো উঠল না নামল — শুধু সহজগুলো নয় | বেছে বেছে ভালো খবর দেখানো হচ্ছে |
| এই মাসে করা কাজ | কোন পেজে অন-পেজ কাজ, কোন টেকনিক্যাল ফিক্স, কোন কন্টেন্ট — লিংকসহ | টাকার বিনিময়ে কী হলো, কেউ জানে না |
| নতুন ব্যাকলিংক | প্রতিটা লিংকের সাইট, পেজ আর কেন ওটা প্রাসঙ্গিক | লিংকগুলো স্প্যাম হতে পারে — পেনাল্টির ঝুঁকি |
| সমস্যা ও পরের মাসের কাজ | কী কাজ করেনি, কেন, আর সামনের মাসে কী বদলানো হবে | রিপোর্টটা শুধু বিক্রির কাগজ, পরিকল্পনা নয় |
ছবি-গ্রাফ যত সুন্দরই হোক, ওপরের ছয়টা অংশের একটাও বাদ পড়লে প্রশ্ন করুন। আমাদের প্রফেশনাল ও এন্টারপ্রাইজ প্যাকেজে রিপোর্ট আরও বিস্তারিত; এন্টারপ্রাইজে র্যাংক ট্র্যাকিং সাপ্তাহিক।
প্রথম SEO অডিট ফ্রি। চূড়ান্ত খরচ কীওয়ার্ড সংখ্যা, প্রতিযোগিতা ও ইন্ডাস্ট্রি দেখে ফ্রি কনসালটেশনে ঠিক হয়। অ্যাড-অন — কন্টেন্ট রাইটিং, সাইট স্পিড অপটিমাইজেশন, Google Ads সেটআপ — কোটেশন সাপেক্ষে। পেমেন্ট bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংক ট্রান্সফার।
দুই-তিনটা এজেন্সি বা ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে একই সাইটের ফ্রি অডিট নিন, তারপর সবাইকে একই ১২টা প্রশ্ন লিখিতভাবে করুন: অডিটে আসল ফাইন্ডিং, মাসের কাজের লিস্ট, Search Console কার নামে, রিপোর্টের ফরম্যাট, লিংকের উৎস, কন্টেন্ট কে লিখবে, চুক্তি ও বের হওয়ার শর্ত, কাজটা কে করে, আর রেফারেন্স। যে লিখিত উত্তর দেয় আর নমুনা রিপোর্ট দেখায়, তাকেই বাছাই করুন — দাম তার পরে দেখুন।
সৎ উত্তর: সবার জন্য একটা ‘সেরা’ নেই। ছোট লোকাল ব্যবসার জন্য যে ঠিক, বড় ই-কমার্স সাইটের জন্য সে ঠিক নাও হতে পারে। আপনার জন্য সেরা সেই এজেন্সি বা ফ্রিল্যান্সার, যে আপনার সাইটের অডিটে আসল সমস্যা দেখায়, Search Console আপনার নামে রাখে, প্রতি মাসে করা কাজ লিখে দেয় আর ১ নম্বরের কথা দেয় না। আমাদেরও ওই একই চেকলিস্টে মিলিয়ে নিন।
দুটোরই জায়গা আছে। ছোট সাইট, অল্প কীওয়ার্ড আর সীমিত বাজেটে একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার যথেষ্ট হতে পারেন — শর্ত হলো তিনি চেকলিস্টে পাশ করবেন, বিশেষ করে Search Console আপনার নামে রাখবেন। টেকনিক্যাল SEO, কন্টেন্ট আর ব্যাকলিংক একসাথে চালাতে হলে, বা একজন মানুষ ব্যস্ত হলে কাজ থেমে যাওয়ার ঝুঁকি না নিতে চাইলে এজেন্সি বেশি মানায়। আমাদের প্যাকেজ ৳৮,০০০/মাস থেকে।
না। Google নিজেই তাদের গাইডে বলে, কেউ গুগলে ১ নম্বর অবস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। দৃশ্যমান ফল সাধারণত ৩–৬ মাসে আসে; কম প্রতিযোগিতার কীওয়ার্ডে আগে, খুব প্রতিযোগিতার কীওয়ার্ডে আরও বেশি সময়। এই প্রতিশ্রুতির সাথে আরও যে ৬টা লাল পতাকা দেখলে সরে আসবেন: ‘৳৫০০-এ ১,০০০ ব্যাকলিংক’, রিপোর্ট না দেওয়া, Search Console-এর access না দেওয়া, কীওয়ার্ড ঠাসা বা লুকানো লেখা, রাতারাতি ফলের কথা, আর অডিট ছাড়াই সবার জন্য একই প্যাকেজ।
চারটা জিনিস অবশ্যই: প্রতিটা পেজের ইমপ্রেশন ও ক্লিক, আপনার আসল কীওয়ার্ডগুলোর অবস্থানের বদল, এই মাসে ঠিক কোন পেজে কী কাজ হলো, আর নতুন ব্যাকলিংক কোন সাইট থেকে। ডেটা আসা উচিত আপনার নিজের Search Console থেকে, যাতে আপনি নিজেও খুলে মেলাতে পারেন। শুধু র্যাংকের স্ক্রিনশট রিপোর্ট নয়।
সবসময় আপনার নিজের Google অ্যাকাউন্টে — এজেন্সিকে শুধু ইউজার হিসেবে যোগ করবেন। তাহলে এজেন্সি বদলালে শুধু তাদের ইউজার সরিয়ে দেন, সব ডেটা আর ইতিহাস আপনার কাছেই থাকে। ওয়েবসাইট, ডোমেইন আর হোস্টিংয়ের লগইনও আপনার কাছে রাখুন। আমাদের সাথে কাজে প্রথম মাসেই Search Console ও Analytics আপনার অ্যাকাউন্টে খোলা হয়।
তিনটা মাসিক রিপোর্ট পাশাপাশি রাখুন। ইমপ্রেশন বাড়ছে আর কীওয়ার্ডের অবস্থান ধীরে ধীরে উঠছে — তাহলে কাজ ঠিক দিকে, কারণ দৃশ্যমান ফল সাধারণত ৩–৬ মাসে আসে। কিন্তু ইমপ্রেশন একই জায়গায় আটকে, রিপোর্টে করা কাজের লিস্ট নেই, বা Search Console এখনো আপনার হাতে নেই — তাহলে দিক বদলানো বা থামানোর সময়। চাইলে আমাদের ফ্রি অডিটে দ্বিতীয় মতামত নিতে পারেন।
আপনার ওয়েবসাইটের লিংক আর কোন সার্ভিসের জন্য কাস্টমার চান — WhatsApp-এ পাঠান। আমরা ফ্রি অডিট করে লিখিত ফাইন্ডিং দিই; সেটা নিয়ে অন্য এজেন্সির সাথে তুলনা করুন, ১২টা প্রশ্ন আমাদেরও করুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন। পেমেন্ট bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংকে। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।
ওয়েবসাইটের লিংক WhatsApp করুন; লিখিত অডিট পাবেন। সেটা হাতে নিয়ে যেকোনো এজেন্সির সাথে তুলনা করুন — আমাদের সাথেও।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
দুই-তিনটা এজেন্সি বা ফ্রিল্যান্সারের কাছ থেকে একই সাইটের ফ্রি অডিট নিন, তারপর সবাইকে একই ১২টা প্রশ্ন লিখিতভাবে করুন: অডিটে আসল ফাইন্ডিং, মাসের কাজের লিস্ট, Search Console কার নামে, রিপোর্টের ফরম্যাট, লিংকের উৎস, কন্টেন্ট কে লিখবে, চুক্তি ও বের হওয়ার শর্ত, কাজটা কে করে, আর রেফারেন্স। যে লিখিত উত্তর দেয় আর নমুনা রিপোর্ট দেখায়, তাকেই বাছাই করুন — দাম তার পরে দেখুন।
সৎ উত্তর: সবার জন্য একটা ‘সেরা’ নেই। ছোট লোকাল ব্যবসার জন্য যে ঠিক, বড় ই-কমার্স সাইটের জন্য সে ঠিক নাও হতে পারে। আপনার জন্য সেরা সেই এজেন্সি বা ফ্রিল্যান্সার, যে আপনার সাইটের অডিটে আসল সমস্যা দেখায়, Search Console আপনার নামে রাখে, প্রতি মাসে করা কাজ লিখে দেয় আর ১ নম্বরের কথা দেয় না। আমাদেরও ওই একই চেকলিস্টে মিলিয়ে নিন।
দুটোরই জায়গা আছে। ছোট সাইট, অল্প কীওয়ার্ড আর সীমিত বাজেটে একজন ভালো ফ্রিল্যান্সার যথেষ্ট হতে পারেন — শর্ত হলো তিনি চেকলিস্টে পাশ করবেন, বিশেষ করে Search Console আপনার নামে রাখবেন। টেকনিক্যাল SEO, কন্টেন্ট আর ব্যাকলিংক একসাথে চালাতে হলে, বা একজন মানুষ ব্যস্ত হলে কাজ থেমে যাওয়ার ঝুঁকি না নিতে চাইলে এজেন্সি বেশি মানায়। আমাদের প্যাকেজ ৳৮,০০০/মাস থেকে।
না। Google নিজেই তাদের গাইডে বলে, কেউ গুগলে ১ নম্বর অবস্থানের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। দৃশ্যমান ফল সাধারণত ৩–৬ মাসে আসে; কম প্রতিযোগিতার কীওয়ার্ডে আগে, খুব প্রতিযোগিতার কীওয়ার্ডে আরও বেশি সময়। এই প্রতিশ্রুতির সাথে আরও যে ৬টা লাল পতাকা দেখলে সরে আসবেন: ‘৳৫০০-এ ১,০০০ ব্যাকলিংক’, রিপোর্ট না দেওয়া, Search Console-এর access না দেওয়া, কীওয়ার্ড ঠাসা বা লুকানো লেখা, রাতারাতি ফলের কথা, আর অডিট ছাড়াই সবার জন্য একই প্যাকেজ।
চারটা জিনিস অবশ্যই: প্রতিটা পেজের ইমপ্রেশন ও ক্লিক, আপনার আসল কীওয়ার্ডগুলোর অবস্থানের বদল, এই মাসে ঠিক কোন পেজে কী কাজ হলো, আর নতুন ব্যাকলিংক কোন সাইট থেকে। ডেটা আসা উচিত আপনার নিজের Search Console থেকে, যাতে আপনি নিজেও খুলে মেলাতে পারেন। শুধু র্যাংকের স্ক্রিনশট রিপোর্ট নয়।
সবসময় আপনার নিজের Google অ্যাকাউন্টে — এজেন্সিকে শুধু ইউজার হিসেবে যোগ করবেন। তাহলে এজেন্সি বদলালে শুধু তাদের ইউজার সরিয়ে দেন, সব ডেটা আর ইতিহাস আপনার কাছেই থাকে। ওয়েবসাইট, ডোমেইন আর হোস্টিংয়ের লগইনও আপনার কাছে রাখুন। আমাদের সাথে কাজে প্রথম মাসেই Search Console ও Analytics আপনার অ্যাকাউন্টে খোলা হয়।
তিনটা মাসিক রিপোর্ট পাশাপাশি রাখুন। ইমপ্রেশন বাড়ছে আর কীওয়ার্ডের অবস্থান ধীরে ধীরে উঠছে — তাহলে কাজ ঠিক দিকে, কারণ দৃশ্যমান ফল সাধারণত ৩–৬ মাসে আসে। কিন্তু ইমপ্রেশন একই জায়গায় আটকে, রিপোর্টে করা কাজের লিস্ট নেই, বা Search Console এখনো আপনার হাতে নেই — তাহলে দিক বদলানো বা থামানোর সময়। চাইলে আমাদের ফ্রি অডিটে দ্বিতীয় মতামত নিতে পারেন।
আপনার ওয়েবসাইটের লিংক আর কোন সার্ভিসের জন্য কাস্টমার চান — WhatsApp-এ পাঠান। আমরা ফ্রি অডিট করে লিখিত ফাইন্ডিং দিই; সেটা নিয়ে অন্য এজেন্সির সাথে তুলনা করুন, ১২টা প্রশ্ন আমাদেরও করুন, তারপর সিদ্ধান্ত নিন। পেমেন্ট bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংকে। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।