এনজিও ও ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইট — রিপোর্ট, প্রোগ্রাম আর অনলাইন ডোনেশন এক জায়গায়

Javed IT Solution builds websites for NGOs, foundations and charities in Bangladesh with programme pages, annual-report downloads, volunteer forms and online donations. An NGO website starts at ৳15,000 (BDT) for 5–10 pages, live in 7–14 days; online donation by bKash, Nagad or card with a receipt is a payment-gateway add-on of +৳5,000. Based in Mirpur-1, Dhaka, Bangladesh. Call +880 1616-901396 or message on WhatsApp for a free quote.

ডোনার আপনার নাম গুগলে লিখলে যেন রেজিস্ট্রেশন নম্বর, অডিট রিপোর্ট আর চলমান প্রোগ্রাম দেখতে পান — আর এক ট্যাপে bKash, Nagad বা কার্ডে ডোনেশন দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রসিদ পান।

৳১৫,০০০থেকে শুরু, ৫–১০ পেজের এনজিও সাইট
৭–১৪দিনে লাইভ
+৳৫,০০০bKash, Nagad ও কার্ডে অনলাইন ডোনেশন
১বছর ফ্রি সাপোর্ট ও অ্যাডমিন ট্রেনিং

পোস্টে bKash নম্বর, রিপোর্ট কারও ল্যাপটপে, রসিদ হাতে লেখা — ডোনার ভরসা পান না

বন্যা বা শীতের আপিলে Facebook পোস্টে একটা bKash নম্বর দেওয়া হয়, আর কমেন্টে প্রশ্ন আসে — ‘এটা কি আসল নম্বর?’, ‘টাকা কোন কাজে যাবে?’। একই ছবি কপি করে ভুয়া পেজও আপিল চালায়। যার নিজের ওয়েবসাইট নেই, ডোনার তার নম্বর মিলিয়ে দেখার কোনো জায়গা পান না — তাই অনেকে দেন না।

লন্ডন বা দুবাইয়ে থাকা কোনো প্রবাসী ডোনার, কিংবা একটা পার্টনার সংস্থা ইমেইলে লেখে — ‘গত বছরের রিপোর্টটা কোথায় পাব?’। বার্ষিক রিপোর্ট আর অডিট রিপোর্ট আছে ঠিকই, কিন্তু কোনো স্টাফের ল্যাপটপে বা পুরনো ইমেইলে। গুগলে সংস্থার নাম লিখলে শুধু একটা Facebook পেজ আসে — রেজিস্ট্রেশন নম্বর, অডিট, প্রোগ্রামের খবর কিছুই না।

ডোনেশন এলে খাতায় নাম লেখা, হাতে রসিদ কাটা, তারপর মাস শেষে কে যাকাত দিলেন আর কে সাধারণ ফান্ডে — সেটা আলাদা করতে বসা। ভলান্টিয়ার হতে চাওয়া তরুণেরা ইনবক্সে লেখেন, উত্তর দিতে দেরি হয়, নাম হারিয়ে যায়। কাজটা ভালো, কিন্তু কাগজপত্রের ভিড়ে সময় চলে যায় মাঠের কাজ থেকে।

নিজের ওয়েবসাইটে প্রোগ্রাম, রিপোর্ট আর ডোনেশন — ডোনার নিজে দেখে, নিজে দেন, রসিদ পান

আমরা বানাই ‘আমাদের সম্পর্কে’ পেজ — সংস্থার রেজিস্ট্রেশন নম্বর (NGO Affairs Bureau, সমাজসেবা অধিদপ্তর বা ট্রাস্ট — যেটা আপনার আছে), গভর্নিং বডি, ঠিকানা আর Google Map সহ, আর প্রতিটা প্রোগ্রামের আলাদা পেজ: কোন জেলায়, কাদের জন্য, কী কাজ হচ্ছে। সংখ্যা আমরা বানাই না — যা আপনার রিপোর্টে আছে, সেটাই বসে। বার্ষিক রিপোর্ট আর অডিট রিপোর্টের PDF আপনি নিজে অ্যাডমিন প্যানেল থেকে আপলোড করবেন, ডোনার এক ক্লিকে ডাউনলোড করবেন।

ডোনেট পেজে bKash, Nagad ও কার্ডে পেমেন্ট — ডোনার বেছে নেন সাধারণ ফান্ড, নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম, জরুরি আপিল, যাকাত না সাদাকা, আর পেমেন্টের সাথে সাথে ইমেইলে রসিদ যায়, সেই খাতের নামসহ। SMS রসিদ চাইলে অ্যাড-অন। মাসিক ডোনেশনের অঙ্গীকার নেওয়া যায়: ডোনার মাসে কত দেবেন লিখে রাখেন, প্রতি মাসে তাঁর কাছে পেমেন্ট লিংকসহ রিমাইন্ডার যায়। অ্যাডমিনে মাস শেষে খাতভিত্তিক তালিকা ডাউনলোড করে হিসাব মেলানো যায়।

ভলান্টিয়ার ও চাকরির আবেদনের ফর্ম আবেদনগুলো এক তালিকায় জমা রাখে। বিদেশি ডোনারের জন্য ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষা, পড়তে আরামদায়ক ফন্ট আর পরিষ্কার কনট্রাস্ট — বয়স্ক ডোনারও ফোনে সহজে পড়তে পারেন। বন্যা বা শীতবস্ত্রের সময় হোমপেজের ওপরে জরুরি আপিল সেকশন আপনি নিজেই চালু করবেন, কাজ শেষ হলে বন্ধ।

ডোনার যা জানতে চান — আপনি কে, টাকা কোথায় গেল, রিপোর্ট কোথায় — সবকিছুর উত্তর থাকুক আপনার নিজের ওয়েবসাইটে।

এনজিও ও ফাউন্ডেশনের জন্য যে ৬টা জিনিস বানাই

প্রোগ্রাম ও প্রজেক্ট ম্যাপ

প্রতি প্রোগ্রামের পেজ — জেলা, উপকারভোগী গোষ্ঠী, কাজের বিবরণ; ম্যাপে প্রজেক্টের পিন।

বেসিক প্যাকেজে ৭–১৪ দিন

বার্ষিক ও অডিট রিপোর্ট ডাউনলোড

বছরভিত্তিক PDF লাইব্রেরি, নিজে আপলোড করবেন; সাথে রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও গভর্নিং বডি।

বেসিক প্যাকেজে নিজে আপলোড

অনলাইন ডোনেশন ও রসিদ

bKash, Nagad, কার্ড; খাত বাছাই (যাকাত, সাদাকা, প্রোগ্রাম); ইমেইলে রসিদ।

গেটওয়ে +৳৫,০০০ SMS রসিদ +৳৩,০০০

ভলান্টিয়ার ও চাকরির ফর্ম

আগ্রহের এলাকা, জেলা, সময়; চাকরির আবেদনে CV আপলোড — সব আবেদন এক তালিকায়।

বেসিক প্যাকেজে এক তালিকায়

বাংলা-ইংরেজি ও সহজপাঠ্য ডিজাইন

প্রবাসী ও বিদেশি ডোনারের জন্য দুই ভাষা; পরিষ্কার কনট্রাস্ট, বড় ফন্ট, ছবির বিবরণ।

ভাষা +৳২,০০০ সাইটের সাথে

জরুরি আপিল সেকশন

বন্যা, ঘূর্ণিঝড় বা শীতবস্ত্র — হোমপেজের ওপরে আপিল, আলাদা শেয়ার লিংক ও ডোনেট বাটন।

বেসিক প্যাকেজে নিজে চালু-বন্ধ

এই ওয়েবসাইট আপনার জন্য, যদি —

  • আপনি এনজিও, ফাউন্ডেশন, চ্যারিটি বা কমিউনিটি সংগঠন চালান
  • মসজিদ বা মাদ্রাসা কমিটি যাকাত ও সাদাকা আলাদা হিসাব করে নিতে চায়
  • প্রবাসী বা বিদেশি ডোনার রিপোর্ট আর রেজিস্ট্রেশনের তথ্য চান
  • ডোনেশনের রসিদ এখনো হাতে লিখে দিতে হয়
  • ভলান্টিয়ারের আবেদন ইনবক্সে হারিয়ে যায়
  • বন্যা বা শীতের সময় দ্রুত একটা বিশ্বাসযোগ্য আপিল চালাতে হয়

ডোনেশন নেওয়ার ৩ উপায়: Facebook পোস্টে bKash নম্বর, ফ্রি সাইট বিল্ডার, নিজের এনজিও ওয়েবসাইট

ডোনার কোথায় ভরসা পান, রসিদ কে দেয়, আর তথ্যগুলো কার হাতে থাকে — তিনটা পথ পাশাপাশি।

বিষয়Facebook পেজ + পোস্টে bKash নম্বরফ্রি সাইট বিল্ডারনিজের এনজিও ওয়েবসাইট (Javed IT Solution)
ডোনারের ভরসা (রিপোর্ট, রেজিস্ট্রেশন) পোস্টে লেখা থাকে, কিছুদিন পর নিচে চাপা পড়ে পেজ বানানো যায়, কিন্তু সাজাতে হয় নিজেকেই রেজিস্ট্রেশন, গভর্নিং বডি ও বছরভিত্তিক PDF রিপোর্ট এক পেজে
ডোনেশনের রসিদ হাতে লেখা বা ইনবক্সে স্ক্রিনশট দেশি গেটওয়ে সাধারণত আলাদা কাজ ছাড়া বসে না পেমেন্টের সাথে সাথে ইমেইলে, খাতের নামসহ; SMS অ্যাড-অন
বিদেশি ও প্রবাসী ডোনার bKash না থাকলে দিতে পারেন না কার্ড চলে, তবে বাংলা লেখা ও bKash মেলাতে ঝামেলা কার্ড পেমেন্ট (গেটওয়ের অনুমোদন সাপেক্ষে) ও ইংরেজি পেজ
গুগল সার্চে পাওয়া প্রায় না — পোস্ট গুগলে আসে না বললেই চলে আসে, বিল্ডারের সাবডোমেইনে নিজের ডোমেইনে, প্রতিটা প্রোগ্রামের আলাদা পেজসহ
ভলান্টিয়ার নেওয়া ইনবক্সে, হারিয়ে যায় সাধারণ ফর্ম জেলা ও আগ্রহের এলাকাসহ ফর্ম, এক তালিকায় জমা
মালিকানা পেজ Facebook-এর নিয়মে চলে সাইট বিল্ডারের সার্ভারে, অন্য কোথাও নেওয়া কঠিন ডোমেইন, হোস্টিং ও সোর্স কোড সংস্থার নামে
খরচ ফ্রি ফ্রি প্ল্যানে বিল্ডারের নাম থাকে; পেইড প্ল্যান ডলারে, প্রতি বছর এককালীন ৳১৫,০০০ থেকে; অনলাইন ডোনেশন +৳৫,০০০

সৎ কথা: এলাকার ছোট মসজিদ কমিটি বা একটা ক্লাব, যাদের ডোনার সবাই চেনা মানুষ, তাদের জন্য Facebook পেজ আর ছাপানো রসিদ বই অনেক সময় যথেষ্ট। শুধু একটা আপিলের জন্য এক পেজের ল্যান্ডিং পেজও হয় (৳১৫,০০০ – ৳৩০,০০০)। পুরো ওয়েবসাইট দরকার হয় তখন, যখন অচেনা, প্রবাসী বা প্রাতিষ্ঠানিক ডোনার আপনাকে যাচাই করে দেবেন।

এনজিও ওয়েবসাইটের সেকশন — আপনি কী দেবেন, অ্যাড-অন লাগবে কি না

লেখা, ছবি আর সংখ্যা আসে আপনার কাছ থেকে; আমরা সাজাই, বানাই আর অ্যাডমিন প্যানেলে আপনার হাতে দিই।

সেকশনযা থাকেআপনি যা দেবেনঅ্যাড-অন
পরিচিতি ও রেজিস্ট্রেশন লক্ষ্য, ইতিহাস, গভর্নিং বডি, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, ঠিকানা ও Google Map রেজিস্ট্রেশনের তথ্য, কমিটির নাম ও ছবি, লোগো নেই — বেসিকে
প্রোগ্রাম ও প্রজেক্ট প্রতি প্রোগ্রামের পেজ: জেলা, উপকারভোগী গোষ্ঠী, কাজ, ছবি; প্রজেক্ট ম্যাপ প্রোগ্রামের বিবরণ ও সম্মতি নিয়ে তোলা ছবি নেই — বেসিকে
ইমপ্যাক্ট ও রিপোর্ট বছরভিত্তিক বার্ষিক রিপোর্ট ও অডিট রিপোর্টের PDF, কেস স্টোরি আপনার নিজের রিপোর্ট — সংখ্যা সেখান থেকেই নেওয়া হয় নেই — বেসিকে
ডোনেট bKash, Nagad, কার্ড; খাত বাছাই; ইমেইল রসিদ; মাসিক অঙ্গীকার সংস্থার নামে মার্চেন্ট বা গেটওয়ে অ্যাকাউন্ট, খাতের তালিকা পেমেন্ট গেটওয়ে +৳৫,০০০; SMS রসিদ +৳৩,০০০
ভলান্টিয়ার ও চাকরি ভলান্টিয়ার ফর্ম, চাকরির বিজ্ঞপ্তি ও CV আপলোডসহ আবেদন কোন কোন কাজে ভলান্টিয়ার চান, চাকরির বিবরণ নেই — বেসিকে
যোগাযোগ ও নিউজলেটার অফিসের ঠিকানা, ফোন, WhatsApp, ম্যাপ, নিউজলেটারে সাইন-আপ অফিসের তথ্য ও কোন ইমেইল থেকে নিউজলেটার যাবে দ্বিতীয় ভাষা +৳২,০০০ (পুরো সাইটের জন্য)

চলমান খরচ (আমাদের নয়, রেজিস্ট্রার ও হোস্টের): .com ডোমেইন ৳১,০০০–১,৫০০/বছর ও হোস্টিং ৳৩,০০০–৮,০০০/বছর — সেটআপ আমরা ফ্রি করে দিই, অ্যাকাউন্ট থাকে সংস্থার নামে; SSL ফ্রি (Let's Encrypt)।

একটা ডোনেশন কীভাবে চলে — ডোনার থেকে মাসিক হিসাব পর্যন্ত

ধাপকী হয়কে দেখেন
ডোনার অঙ্ক ও খাত বাছাই করেন — সাধারণ ফান্ড, প্রোগ্রাম, জরুরি আপিল, যাকাত বা সাদাকা; চাইলে নাম গোপন রাখেন ডোনার
পেমেন্ট গেটওয়ে bKash, Nagad বা কার্ডে পেমেন্ট; টাকা যায় সংস্থার মার্চেন্ট অ্যাকাউন্টে, কোনো ব্যক্তির নম্বরে নয় ডোনার ও গেটওয়ে
রসিদ পেমেন্ট সফল হলেই ইমেইলে রসিদ — তারিখ, অঙ্ক, খাত, লেনদেন নম্বর; SMS রসিদ অ্যাড-অনে ডোনার ও সংস্থার অ্যাডমিন
মাসিক অঙ্গীকার যাঁরা প্রতি মাসে দিতে চান, তাঁদের কাছে প্রতি মাসে পেমেন্ট লিংকসহ রিমাইন্ডার যায় ডোনার
মাসিক রিপোর্ট অ্যাডমিন প্যানেলে খাতভিত্তিক তালিকা, Excel-এ ডাউনলোড — হিসাবরক্ষক মিলিয়ে নেন সংস্থার অ্যাডমিন ও হিসাব বিভাগ

গেটওয়ের নিজস্ব লেনদেন চার্জ প্রতি পেমেন্টে কাটে — সেটা গেটওয়ে কোম্পানির নিয়মে, আমাদের নয়। যাকাতের টাকা কোন খাতে খরচ হবে, সেটা সংস্থার নিজের সিদ্ধান্ত; ওয়েবসাইট শুধু খাত আলাদা করে রেকর্ড রাখে।

এনজিও ওয়েবসাইটে যা যা থাকে

  • মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন — ডোনার ফোনেই রিপোর্ট পড়েন ও ডোনেট করেন
  • ‘আমাদের সম্পর্কে’ পেজে রেজিস্ট্রেশন নম্বর, গভর্নিং বডি ও ঠিকানা
  • প্রতি প্রোগ্রামের পেজ ও প্রজেক্টের লোকেশন ম্যাপ
  • বার্ষিক রিপোর্ট ও অডিট রিপোর্টের PDF লাইব্রেরি
  • ডোনেট বাটন প্রতিটা পেজে, জরুরি আপিল সেকশন চালু-বন্ধের অপশন
  • ভলান্টিয়ার ও চাকরির আবেদন ফর্ম, সব আবেদন এক তালিকায়
  • নিউজলেটার সাইন-আপ ও খবর/আপডেট পেজ
  • পরিষ্কার কনট্রাস্ট, পড়ার মতো ফন্ট সাইজ, ছবির বিকল্প লেখা (alt text)
  • NGO ও Organization schema — গুগল যেন সংস্থাটাকে চেনে
  • অ্যাডমিন প্যানেল + ট্রেনিং, SSL, বেসিক SEO, ১ বছর ফ্রি সাপোর্ট

৪ ধাপে আপনার সংস্থার ওয়েবসাইট

১
রিপোর্ট ও তথ্য পাঠান
WhatsApp-এ লোগো, রেজিস্ট্রেশনের তথ্য, শেষ বার্ষিক রিপোর্ট আর প্রোগ্রামের তালিকা পাঠান; আমরা ফ্রি কোটেশন দিই।
২
ডিজাইন অনুমোদন
হোমপেজ, প্রোগ্রাম পেজ ও ডোনেট পেজের ডিজাইন দেখে কমিটির মতামত; ৫০% অগ্রিমে কাজ শুরু।
৩
বানানো ও টেস্ট ডোনেশন
প্রোগ্রাম, রিপোর্ট, ফর্ম আর পেমেন্ট — নিজের bKash থেকে টেস্ট ডোনেশন দিয়ে রসিদটা দেখে নেবেন।
৪
লাইভ ও ট্রেনিং
সংস্থার নামে ডোমেইন-হোস্টিংয়ে লাইভ, রিপোর্ট আপলোড ও আপিল চালুর ট্রেনিং; ৫০% ডেলিভারিতে, ১ বছর সাপোর্ট।

যে প্রযুক্তিতে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি হয়

Laravel PHP 8 MySQL JavaScript HTML5 / CSS3 Cloudflare bKash / Nagad API SSLCommerz Google Search Console Figma

এনজিওর ওয়েবসাইট বানাতে খরচ কত?

এনজিও ওয়েবসাইট৳১৫,০০০ থেকে৫–১০ পেজ · ৭–১৪ দিন
  • পরিচিতি, রেজিস্ট্রেশন ও প্রোগ্রাম পেজ
  • বার্ষিক ও অডিট রিপোর্ট ডাউনলোড
  • ভলান্টিয়ার ফর্ম ও নিউজলেটার
  • SSL + ১ বছর ফ্রি সাপোর্ট
ডোনার পোর্টাল বা প্রজেক্ট MIS৳২,০০,০০০ থেকেকাস্টম ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন · কাস্টম সময়সূচি
  • ডোনারের নিজের লগইন ও ডোনেশনের ইতিহাস
  • প্রজেক্টভিত্তিক বাজেট ও খরচের হিসাব
  • মাঠকর্মীর ডেটা এন্ট্রি ও রিপোর্ট
  • পার্টনার ও ডোনারের জন্য আলাদা অ্যাক্সেস

অ্যাড-অন: পেমেন্ট গেটওয়ে +৳৫,০০০ (এককালীন) · SMS ডোনেশন রসিদ +৳৩,০০০ · ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষা +৳২,০০০। সাধারণ এনজিও সাইটের দাম পেজ ও ফিচার দেখে সাধারণত ৳১৫,০০০ – ৳৩০,০০০, ফ্রি কোটেশনে চূড়ান্ত। পেমেন্ট ৫০% অগ্রিম, ৫০% ডেলিভারিতে — bKash, Nagad, Rocket বা ব্যাংক ট্রান্সফার।

এনজিও ওয়েবসাইট নিয়ে প্রশ্ন

এনজিওর একটা ওয়েবসাইট বানাতে কত খরচ হয়?

Javed IT Solution-এ প্রোগ্রাম পেজ, রেজিস্ট্রেশনের তথ্য, বার্ষিক ও অডিট রিপোর্ট ডাউনলোড আর ভলান্টিয়ার ফর্মসহ এনজিও ওয়েবসাইট ৳১৫,০০০ থেকে শুরু (৫–১০ পেজ, ৭–১৪ দিনে লাইভ)। bKash, Nagad ও কার্ডে অনলাইন ডোনেশন যোগ করতে পেমেন্ট গেটওয়ে অ্যাড-অন +৳৫,০০০। বেশিরভাগ সংস্থার সাইট ৳১৫,০০০ – ৳৩০,০০০-এর মধ্যে পড়ে; ফ্রি কোটেশনে চূড়ান্ত দাম জানানো হয়।

bKash-এ ডোনেশন নিলে ডোনার কি সঙ্গে সঙ্গে রসিদ পাবেন?

হ্যাঁ। পেমেন্ট সফল হলেই ডোনারের ইমেইলে রসিদ যায় — তারিখ, অঙ্ক, খাত আর লেনদেন নম্বরসহ, আর একই রেকর্ড আপনার অ্যাডমিন প্যানেলে জমা থাকে। যাঁদের ইমেইল নেই, তাঁদের জন্য SMS রসিদ অ্যাড-অন (+৳৩,০০০)। টাকা জমা হয় সংস্থার নামে খোলা মার্চেন্ট বা গেটওয়ে অ্যাকাউন্টে — কোনো ব্যক্তির নম্বরে নয়।

যাকাত আর সাধারণ ডোনেশন কি আলাদা রাখা যাবে?

যাবে। ডোনেট পেজে ডোনার খাত বেছে নেন — সাধারণ ফান্ড, নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম, জরুরি আপিল, যাকাত বা সাদাকা; কোন খাত রাখবেন, সেটা আপনার সংস্থা ঠিক করবে। রসিদে খাতের নাম থাকে, আর মাস শেষে অ্যাডমিন থেকে খাতভিত্তিক তালিকা ডাউনলোড করা যায়। যাকাতের টাকা কোথায় খরচ হবে, সেটা সংস্থা ও আলেমদের সিদ্ধান্ত — ওয়েবসাইট শুধু হিসাবটা আলাদা রাখে।

বিদেশে থাকা ডোনার কি কার্ডে ডোনেট করতে পারবেন?

কার্ড পেমেন্ট গেটওয়েতে যোগ করা যায়, তবে বিদেশি কার্ড চালু হবে কি না সেটা গেটওয়ে কোম্পানির অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে — আবেদনে আমরা সাহায্য করি। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষার সাইট (+৳২,০০০) প্রবাসী ও বিদেশি ডোনারের জন্য সবচেয়ে কাজে লাগে। বিদেশি অনুদান নেওয়ার নিয়ম ঠিক করে NGO Affairs Bureau ও আপনার ব্যাংক; ওয়েবসাইট সেই নিয়মের বিকল্প নয়।

রেজিস্ট্রেশন নম্বর আর অডিট রিপোর্ট ওয়েবসাইটে দেওয়া কি জরুরি?

আইনের কথা আপনার নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ বলবে, কিন্তু অচেনা ডোনার আর পার্টনার সংস্থা প্রথমেই এগুলোই খোঁজেন। আমরা আপনার নিজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর — NGO Affairs Bureau, সমাজসেবা অধিদপ্তর বা ট্রাস্ট, যেটা আছে — হুবহু বসাই; কিছু যাচাই বা নিবন্ধনের কাজ আমরা করি না। বার্ষিক ও অডিট রিপোর্টের PDF আপনি নিজে আপলোড করবেন, প্রতি বছর নতুনটা যোগ হবে।

উপকারভোগীদের ছবি দেওয়ার সময় কী খেয়াল রাখবেন?

ছবি আসে আপনার কাছ থেকে, আর আমরা অনুরোধ করি শুধু সম্মতি নিয়ে তোলা ছবি দিতে — শিশুর ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি। কারও পরিচয় গোপন রাখতে হলে মুখ ঝাপসা করে দিই, নামের জায়গায় ছদ্মনাম। অসহায় দেখানোর জন্য স্টক ছবি বা সাজানো ছবি আমরা বসাই না; মানুষটা যেন সম্মানের সাথে দেখা যায়, সেভাবেই ছবি ও লেখা সাজানো হয়।

রিপোর্ট আপলোড বা আপিল চালু করতে কি প্রতিবার আপনাদের ডাকতে হবে?

না। অ্যাডমিন প্যানেল থেকে আপনার অফিসের যে কেউ নতুন রিপোর্টের PDF, প্রোগ্রামের খবর, চাকরির বিজ্ঞপ্তি আর জরুরি আপিল নিজেই যোগ ও বন্ধ করতে পারবেন — ডেলিভারির সময় হাতে-কলমে ট্রেনিং দেওয়া হয়। নতুন সেকশন বা ফিচারের মতো বড় কাজ ১ বছরের ফ্রি সাপোর্টে আমরা করে দিই।

ওয়েবসাইট লাইভ হতে কত দিন লাগে, আর শুরু করব কীভাবে?

এনজিও ওয়েবসাইট, অনলাইন ডোনেশনসহ, ৭–১৪ দিনে লাইভ হয়; ডোনার পোর্টাল বা প্রজেক্ট MIS-এর মতো কাস্টম কাজের সময় আলাদা করে ঠিক হয়। শুরু করতে লোগো, রেজিস্ট্রেশনের তথ্য, শেষ বার্ষিক রিপোর্ট আর প্রোগ্রামের তালিকা WhatsApp-এ পাঠান — ফ্রি কোটেশন একই দিনে। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।

আপনার শেষ বার্ষিক রিপোর্টটা পাঠান — ফ্রি কোটেশন ও সাইটের নকশা আজই

WhatsApp-এ লোগো, রেজিস্ট্রেশনের তথ্য আর রিপোর্টটা পাঠান; আমরা দেখাই আপনার সংস্থার ওয়েবসাইট আর ডোনেট পেজ কেমন হবে, কত খরচে।

কল করুনWhatsApp

সাধারণ জিজ্ঞাসা

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন

এনজিওর একটা ওয়েবসাইট বানাতে কত খরচ হয়?

Javed IT Solution-এ প্রোগ্রাম পেজ, রেজিস্ট্রেশনের তথ্য, বার্ষিক ও অডিট রিপোর্ট ডাউনলোড আর ভলান্টিয়ার ফর্মসহ এনজিও ওয়েবসাইট ৳১৫,০০০ থেকে শুরু (৫–১০ পেজ, ৭–১৪ দিনে লাইভ)। bKash, Nagad ও কার্ডে অনলাইন ডোনেশন যোগ করতে পেমেন্ট গেটওয়ে অ্যাড-অন +৳৫,০০০। বেশিরভাগ সংস্থার সাইট ৳১৫,০০০ – ৳৩০,০০০-এর মধ্যে পড়ে; ফ্রি কোটেশনে চূড়ান্ত দাম জানানো হয়।

bKash-এ ডোনেশন নিলে ডোনার কি সঙ্গে সঙ্গে রসিদ পাবেন?

হ্যাঁ। পেমেন্ট সফল হলেই ডোনারের ইমেইলে রসিদ যায় — তারিখ, অঙ্ক, খাত আর লেনদেন নম্বরসহ, আর একই রেকর্ড আপনার অ্যাডমিন প্যানেলে জমা থাকে। যাঁদের ইমেইল নেই, তাঁদের জন্য SMS রসিদ অ্যাড-অন (+৳৩,০০০)। টাকা জমা হয় সংস্থার নামে খোলা মার্চেন্ট বা গেটওয়ে অ্যাকাউন্টে — কোনো ব্যক্তির নম্বরে নয়।

যাকাত আর সাধারণ ডোনেশন কি আলাদা রাখা যাবে?

যাবে। ডোনেট পেজে ডোনার খাত বেছে নেন — সাধারণ ফান্ড, নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম, জরুরি আপিল, যাকাত বা সাদাকা; কোন খাত রাখবেন, সেটা আপনার সংস্থা ঠিক করবে। রসিদে খাতের নাম থাকে, আর মাস শেষে অ্যাডমিন থেকে খাতভিত্তিক তালিকা ডাউনলোড করা যায়। যাকাতের টাকা কোথায় খরচ হবে, সেটা সংস্থা ও আলেমদের সিদ্ধান্ত — ওয়েবসাইট শুধু হিসাবটা আলাদা রাখে।

বিদেশে থাকা ডোনার কি কার্ডে ডোনেট করতে পারবেন?

কার্ড পেমেন্ট গেটওয়েতে যোগ করা যায়, তবে বিদেশি কার্ড চালু হবে কি না সেটা গেটওয়ে কোম্পানির অনুমোদনের ওপর নির্ভর করে — আবেদনে আমরা সাহায্য করি। ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষার সাইট (+৳২,০০০) প্রবাসী ও বিদেশি ডোনারের জন্য সবচেয়ে কাজে লাগে। বিদেশি অনুদান নেওয়ার নিয়ম ঠিক করে NGO Affairs Bureau ও আপনার ব্যাংক; ওয়েবসাইট সেই নিয়মের বিকল্প নয়।

রেজিস্ট্রেশন নম্বর আর অডিট রিপোর্ট ওয়েবসাইটে দেওয়া কি জরুরি?

আইনের কথা আপনার নিবন্ধনকারী কর্তৃপক্ষ বলবে, কিন্তু অচেনা ডোনার আর পার্টনার সংস্থা প্রথমেই এগুলোই খোঁজেন। আমরা আপনার নিজের রেজিস্ট্রেশন নম্বর — NGO Affairs Bureau, সমাজসেবা অধিদপ্তর বা ট্রাস্ট, যেটা আছে — হুবহু বসাই; কিছু যাচাই বা নিবন্ধনের কাজ আমরা করি না। বার্ষিক ও অডিট রিপোর্টের PDF আপনি নিজে আপলোড করবেন, প্রতি বছর নতুনটা যোগ হবে।

উপকারভোগীদের ছবি দেওয়ার সময় কী খেয়াল রাখবেন?

ছবি আসে আপনার কাছ থেকে, আর আমরা অনুরোধ করি শুধু সম্মতি নিয়ে তোলা ছবি দিতে — শিশুর ক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি। কারও পরিচয় গোপন রাখতে হলে মুখ ঝাপসা করে দিই, নামের জায়গায় ছদ্মনাম। অসহায় দেখানোর জন্য স্টক ছবি বা সাজানো ছবি আমরা বসাই না; মানুষটা যেন সম্মানের সাথে দেখা যায়, সেভাবেই ছবি ও লেখা সাজানো হয়।

রিপোর্ট আপলোড বা আপিল চালু করতে কি প্রতিবার আপনাদের ডাকতে হবে?

না। অ্যাডমিন প্যানেল থেকে আপনার অফিসের যে কেউ নতুন রিপোর্টের PDF, প্রোগ্রামের খবর, চাকরির বিজ্ঞপ্তি আর জরুরি আপিল নিজেই যোগ ও বন্ধ করতে পারবেন — ডেলিভারির সময় হাতে-কলমে ট্রেনিং দেওয়া হয়। নতুন সেকশন বা ফিচারের মতো বড় কাজ ১ বছরের ফ্রি সাপোর্টে আমরা করে দিই।

ওয়েবসাইট লাইভ হতে কত দিন লাগে, আর শুরু করব কীভাবে?

এনজিও ওয়েবসাইট, অনলাইন ডোনেশনসহ, ৭–১৪ দিনে লাইভ হয়; ডোনার পোর্টাল বা প্রজেক্ট MIS-এর মতো কাস্টম কাজের সময় আলাদা করে ঠিক হয়। শুরু করতে লোগো, রেজিস্ট্রেশনের তথ্য, শেষ বার্ষিক রিপোর্ট আর প্রোগ্রামের তালিকা WhatsApp-এ পাঠান — ফ্রি কোটেশন একই দিনে। যোগাযোগ: WhatsApp +880 1616-901396।